তিনদিন পর একটু ভালো লাগছে এখন। উচ্চ রক্তচাপের সময়টা আসলে ভিন্নরকম
কষ্টের হয়ে থাকে। এ যাত্রায় থাকলোও অনেক সময়। জানিনা আবার কতক্ষণ সুস্থ
থাকা যাবে।
একটা কথা শুধু মনে
পড়ছিলো এবার। আমাদের ছোটবেলায় ফেসবুক/মোবাইল না থাকায় বিকেলে খেলার মাঠে
দেখা হওয়া মোটামুটি কমন দৃশ্য ছিলো। প্রতি পাড়ায় খেলার উন্মুক্ত মাঠ ছিলো।
ছেলেদের জন্য ফুটবল ছিলো প্রধান খেলা। মেয়েদের জন্যও নানা খেলাধূলা ছিলো।
কোনোদিন বা দুদিন কারো সাথে স্কুলে বা মাঠে দেখা না হলে বন্ধুদল বাড়িতে চলে আসতো খোঁজ নিতে। বসে থাকতো অসুস্থ বন্ধুর বিছানার কোণে। কোনো কমেন্ট/স্ট্যাটাস ছিলো না। এমনি কোনো কথাও। কথা কি সব বলতে পারে সব সময়? সে এক মমত্ববোধের কাল ছিলো। ভালোবাসার সময়। বন্ধুতার সময়।
মজার ব্যাপার হলো- ওরা কেউই রেজিস্টার্ড বন্ধু ছিলো না। তবু কী টান ছিলো!!
ডিজিটাল এ যুগে, রেজিস্ট্রি করে বন্ধু হতে হয় (আবার অবন্ধুকরণ প্রক্রিয়াও আছে!!!)। বন্ধুদের সংখ্যাও ম্যালা। হাজার হাজার।
কিন্তু......
একজন লাপাত্তা থাকলে, অসুস্থ হলে, হারিয়ে গেলে মনে কি পড়ে তার অনুস্থিতি? মন কি কেমন করে ওঠে? কাঁদে কি হৃদয়?
#অণুঅনুভব [২০১৭০১০৫/০০৫৮]
কোনোদিন বা দুদিন কারো সাথে স্কুলে বা মাঠে দেখা না হলে বন্ধুদল বাড়িতে চলে আসতো খোঁজ নিতে। বসে থাকতো অসুস্থ বন্ধুর বিছানার কোণে। কোনো কমেন্ট/স্ট্যাটাস ছিলো না। এমনি কোনো কথাও। কথা কি সব বলতে পারে সব সময়? সে এক মমত্ববোধের কাল ছিলো। ভালোবাসার সময়। বন্ধুতার সময়।
মজার ব্যাপার হলো- ওরা কেউই রেজিস্টার্ড বন্ধু ছিলো না। তবু কী টান ছিলো!!
ডিজিটাল এ যুগে, রেজিস্ট্রি করে বন্ধু হতে হয় (আবার অবন্ধুকরণ প্রক্রিয়াও আছে!!!)। বন্ধুদের সংখ্যাও ম্যালা। হাজার হাজার।
কিন্তু......
একজন লাপাত্তা থাকলে, অসুস্থ হলে, হারিয়ে গেলে মনে কি পড়ে তার অনুস্থিতি? মন কি কেমন করে ওঠে? কাঁদে কি হৃদয়?
#অণুঅনুভব [২০১৭০১০৫/০০৫৮]
No comments:
Post a Comment