Monday, December 18, 2017

দুঃখের নারী

দুঃখের নারী
~~~~~~~~~~~
দুঃখগুলো বেতার হয়
দুঃখে বলো কে তার হয়?
দুঃখের দুয়ার, ভেতর বাড়ি
দুঃখের ভেলায় জীবন পাড়ি।
নারী, তুমি দুঃখের নারী।।
~
#অণুঅনুভব
২০১৭১২১৮/০৩০২

ভুল ফুল

ভালোবাসা ফুল
ফুলের মতোই ঝরে যায়
ভালোবাসা ভুল
জীবন ব্যাপী কুরে খায়।

Sunday, November 19, 2017

সময়

এই যে আমাকে দেখছো
এটা আসলে আমি না।

এ এক অপ্রসন্ন যৌগ যেনো-
ভণিতা
ভঙ
প্রলেপ
মুখোশ
পোশাক
উত্তরাধুনিক প্রযুক্তি আমার সমূহসহায়ক।

এই যে আমাকে দেখছো
এটা আসলে আমি না।
~
#সময় [২০১৬১১২৪/২২৩০]

Monday, November 13, 2017

জোকার এবং মানুষনেতা

তুমি বেটে তুমি বুড়ো
এসব বিষয় মূখ্য নয়,
নেতার ছায়ায় তোমরা জোকার
এটা দেখেই দুঃখ হয়।

তোমরা খেলো বিশ্ব নিয়ে
শিশুসুলভ স্বভাবে,
মানবতা কেঁদে মরে
মানুষ-নেতার অভাবে।

তোমরা কেবল বড়াই করো
নিজেই 'সেরা' দেখাতে,
শান্তি-তরে লড়াই করে
একটু যদি দেখাতে।
~
#অণুঅনুভব

Sunday, November 12, 2017

পদত্যাগ | কারণ- ব্যক্তিগত

 
 পদত্যাগ। কখনো সুখের। কখনো কষ্টের। একাধিক প্রাইভেট কোম্পানিতে এইচ আর ডিপার্ট্মেন্টে অনেকদিন কাজ করার সুবাদে পদত্যাগ নিয়ে এমন কিছু স্মৃতি আছে আমার, যা সুখোৎপাদক নয় মোটেও। কিন্তু আমি স্পেসিফিক করে না বলে পদত্যাগের ঘটনাগুলোকে জেনারেলাইজ করছি। কারণ, আমাদের দেশে অনেক কোম্পানিতেই এমনটি হয়ে থাকে।

পদত্যাগের দৃশ্যপটগুলো অনেক সময়  (সধারণত) এমন হয়ঃ

সিনারিও-১

(১)  টপ ম্যাজেনমেন্ট এইচ আর হেডের সাথে একটা ক্লোজড ডোর মিটিং করেন।
(২) এইচ আর হেড তাঁর রুমে এসে একজন এমপ্লয়ীকে ডেকে পাঠান। এখানেও একটা ক্লোজড ডোর মিটিং হয়।
(৩) মিটিং শেষে সেদিনই বা দু একদিনের মধ্যে উক্ত এমপ্লয়ী একটা পদত্যাগপত্র সাবমিট করেন এবং তা দ্রুত গৃহীত বলে বেবেচিত হয়। উল্লেখ্য, পদত্যাগের কারণ- ব্যক্তিগত!
(৪) এইচ আর থেকে পদত্যাগের বিষয়টি একটা নোটিস সার্ভ করা হয়।

সবাই জানেন, উক্ত স্টাফ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন। সবাই বুঝেন, ঘটনাটা অন্য। নিজের কথা ভেবে তাঁরা কিছুটা ভীতও হন। কেউ কিছু বলেন না। একটা জব, ওই পদত্যাগী (!) স্টাফের কাছে যে কতো বড়, তা সেই ব্যক্তি ছাড়া কেউ বুঝতে পারেন না। ভেতরের হাহাকার তো কেউই দেখতে পান না।

সিনারিও-২

(১) এরই মাঝে আবার অন্য ঘটনাও একদু'টি ঘটে - এসব দেখে অন্যরা জব সিকিরিটি নিয়ে আতঙ্কিত হন।
(২) সত্যিসত্যি কেউ পদত্যাগপত্র দিয়ে বসেন। তিনি নিশ্চয়ই ভালো কোনো জব পেয়েছেন। কারণ অবশ্য ব্যক্তিগতই উল্লেখ করেন।
(৩) টপ ম্যাজেনমেন্ট ও এইচ আর হেড এই পদত্যাগী স্টাফকে নিয়ে ক্লোজড ডোর মিটিং করেন। এবার কিন্তু রাখার জন্য। হয়তো এই স্টাফ কোম্পানির জন্য অপরিহার্য ছিলেন (তাঁদের মতে)।
(৪) ম্যাজেনমেন্টের অনুরোধ উপেক্ষিত হয়।

 টু কনক্লুডঃ সব ব্যক্তিগত আসলে ব্যক্তিগত নয়।






Saturday, November 11, 2017

প্রশ্নফাঁস নাকি মেধা ও মূল্যবোধের ফাঁস


স্কুলে আমাদের বাংলা পড়াতেন সিরাজ কাকু। স্কুলে স্যারই বলতাম। তখন সম্ভবত সেভেনে পড়ি। সিরাজ কাকু আব্বার সাথে কথা বলছেন কোনো এক সন্ধ্যায়। এস এস সি পরীক্ষায় শ্রীপুর সেন্টারে কতো জন যেনো নকল করার জন্য এক্সপেলড হয়েছে। আমার মনে আছে, আমি জিজ্ঞেস করেছিলামঃ"কাকু, নকল কী?" সিরাজ কাকু হেসে জবাব দিয়েছিলেনঃ "বাবা, এটা এখন না জানলেও চলবে।"

পরে অবশ্য নকলের মানে জেনেছি। আমাদের সময়েও কেউ কেউ নকল করতো পরীক্ষায়। বিভিন্ন এবং নূতন নূতন হাস্যকর কায়দায়।  কিন্তু  প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা কখনো শুনিনি। একটা কথা  পরিস্কার- নকল করে ছাত্ররা আর প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত থাকে বড়রা। শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

গত কয়েক বছর ধরে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা যেনো অপরিহার্য অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে। কী পাবলিক পরীক্ষা, কী চাকুরির ইন্টারভিউ, কী এডমিশন টেস্ট- সর্বত্র। আমাকে সবচেয়ে ব্যথিত করে, কোমলমতি ছেলেমেয়েদের পরীক্ষায়ও এই প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটছে। যাদের পর্যায়ে কোনো পরীক্ষা থাকাই বাঞ্চিত নয়; সেই পিএসসি - জেএসসি পরীক্ষায়েও প্রশ্নফাঁস।

প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে আর বরাবরই তা অস্বীকার করা হচ্ছে। পরের আরো বেশিই হচ্ছে। আর যেসকল অভিভাবক নিজের সন্তানের হাতে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্ন তোলে দিচ্ছেন বা সহযোগিতা/ সমর্থন করছেন- তাঁদেরকে ঘৃণা জানানোর ভাষা জানা নেই।

মাঝেমধ্যে মনে হয়- পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ওপর নিশ্চয়ই ভয়ঙ্কর ভূতের আছড় হয়েছে। নইলে প্রশ্নফাঁস ঠেকানো যাচ্ছে না কেনো? জানতাম, ভূত মানুষের ঘাড় ভেঙে দেয়। এবার কি ভূত জাতির মেরুদণ্ড ভাঙার পাঁয়তারা করছে?

প্রশ্নফাঁস জাতির মূলত তিনটি বিষয়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলছেঃ
  • জাতির মেধা পঙ্গুত্ব বরণ করছে
  • প্রজন্মের চারিত্রিক দৃঢ়তা নষ্ট হচ্ছে 
  • মুল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে।

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আমার কয়েকটি টুকরো লেখা তুলে ধরছিঃ

(১)
প্রশ্ন শুধু ফাঁস হয়ে যায়
দাস হয়ে যায় পড়া,
সনদ জোটে বড়ো বড়ো
জ্ঞানই কেবল ধরা।


(২)

প্রশ্নফাঁস-এর কোনো প্রশ্নই উঠে না
এ সংক্রান্ত অভিযোগ সত্য মোটে না
শুধু সেলফোন কিবা নেটে
প্রশ্ন বেড়ায় হেটে.....
শিক্ষার সত্যি মানটাই শুধু ভাগ্যে জোটে না। 

(৩)
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে উঠছে নানান কথা,
পূর্বরাতে এসএমএস ফেসবুকে প্রশ্ন মেলে যথাতথা!
এ ক্যামন তরো ফাঁস !!
জাতির আগাম সর্বনাশ।
জিপিএ রেকর্ড লক্ষ্য শুধু(!), নেই আর কোনো মাথাব্যথা!

আসুন এগিয়ে। বন্ধ করুন এই প্রবণতা। রক্ষা করুন জাতিতে করুণ পরিণতি থেকে। 

~
সোহেল আহমেদ পরান
নভেম্বর ১১, ২০১৭ 
 

Thursday, November 9, 2017

অণু অনুভব

সাধুসন্ত নইতো আমি
আমি অতি সাধারণ,
ভুল ও পাপে পরান ভরা
আরো আছে বাঁধা রণ।
~
#অণুঅনুভব #পরানেরকথা
২০১৭১১০৯/১৯১৩

Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়