Sunday, November 12, 2017

পদত্যাগ | কারণ- ব্যক্তিগত

 
 পদত্যাগ। কখনো সুখের। কখনো কষ্টের। একাধিক প্রাইভেট কোম্পানিতে এইচ আর ডিপার্ট্মেন্টে অনেকদিন কাজ করার সুবাদে পদত্যাগ নিয়ে এমন কিছু স্মৃতি আছে আমার, যা সুখোৎপাদক নয় মোটেও। কিন্তু আমি স্পেসিফিক করে না বলে পদত্যাগের ঘটনাগুলোকে জেনারেলাইজ করছি। কারণ, আমাদের দেশে অনেক কোম্পানিতেই এমনটি হয়ে থাকে।

পদত্যাগের দৃশ্যপটগুলো অনেক সময়  (সধারণত) এমন হয়ঃ

সিনারিও-১

(১)  টপ ম্যাজেনমেন্ট এইচ আর হেডের সাথে একটা ক্লোজড ডোর মিটিং করেন।
(২) এইচ আর হেড তাঁর রুমে এসে একজন এমপ্লয়ীকে ডেকে পাঠান। এখানেও একটা ক্লোজড ডোর মিটিং হয়।
(৩) মিটিং শেষে সেদিনই বা দু একদিনের মধ্যে উক্ত এমপ্লয়ী একটা পদত্যাগপত্র সাবমিট করেন এবং তা দ্রুত গৃহীত বলে বেবেচিত হয়। উল্লেখ্য, পদত্যাগের কারণ- ব্যক্তিগত!
(৪) এইচ আর থেকে পদত্যাগের বিষয়টি একটা নোটিস সার্ভ করা হয়।

সবাই জানেন, উক্ত স্টাফ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন। সবাই বুঝেন, ঘটনাটা অন্য। নিজের কথা ভেবে তাঁরা কিছুটা ভীতও হন। কেউ কিছু বলেন না। একটা জব, ওই পদত্যাগী (!) স্টাফের কাছে যে কতো বড়, তা সেই ব্যক্তি ছাড়া কেউ বুঝতে পারেন না। ভেতরের হাহাকার তো কেউই দেখতে পান না।

সিনারিও-২

(১) এরই মাঝে আবার অন্য ঘটনাও একদু'টি ঘটে - এসব দেখে অন্যরা জব সিকিরিটি নিয়ে আতঙ্কিত হন।
(২) সত্যিসত্যি কেউ পদত্যাগপত্র দিয়ে বসেন। তিনি নিশ্চয়ই ভালো কোনো জব পেয়েছেন। কারণ অবশ্য ব্যক্তিগতই উল্লেখ করেন।
(৩) টপ ম্যাজেনমেন্ট ও এইচ আর হেড এই পদত্যাগী স্টাফকে নিয়ে ক্লোজড ডোর মিটিং করেন। এবার কিন্তু রাখার জন্য। হয়তো এই স্টাফ কোম্পানির জন্য অপরিহার্য ছিলেন (তাঁদের মতে)।
(৪) ম্যাজেনমেন্টের অনুরোধ উপেক্ষিত হয়।

 টু কনক্লুডঃ সব ব্যক্তিগত আসলে ব্যক্তিগত নয়।






No comments:

Post a Comment

Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়