Friday, September 22, 2017

উড়ছে ডলার ধরো

একটা ছিলো গোপন কথা বলার
কম্পিউটারে করছে প্রসব আমেরিকান ডলার।
কড়কড়ে সব নোট
দেখতে ভেরি গুড।

খবর পেয়ে হুমড়ি খেয়ে
জাগছে বাংলা হুজুগ
ট্রলার ভরে ডলার নেবো
আমেরিকা বোঝোক।

যদু মধু আলাল দুলাল
লাঙল দোকান ছেড়ে,
নগদ নগদ পিসি কিনতে
আসছে দেখো তেড়ে।

মাউস নড়ে, ব্যস্ত কীবোর্ড
ডলার পাবার নেশায়,
ফ্রিল্যান্সিংটা নিয়েই নিবে
একমাত্র সে পেশায়।

নানান কার্য কসরত করে
ছ'মাস বছর পরে,
হাল ছেড়ে দেয় পাল ডুবে যায়
"এ কাজ কেউ কি করে?"

বোঝে না হায় ডলার কভু
হয় না পিসিতে চাষ,
নানান স্কিলের আবরণে
মাথায় করে সে বাস।

মেধার কাছে ডলার নত
ট্রিক্স ও হুজুগ বিফল,
সখ্যতা হোক দক্ষতাতে
দেখবে তখন কী ফল!

ফ্রিল্যান্সিং-এও ছড়াচ্ছে আলো
বিশ্ব জুড়ে এ দেশ,
শিখে বোঝে জেনে তবেই
সফলতার সে রেশ!
~
২০১৭০৯২২/০৭২৮ 









Sunday, September 10, 2017

দেয়াল

 নীলিমা,

কেমন আছিস? জানি এই চিঠি তোর কাছে  পৌঁছুবে না কোনোদিন। তোর ঠিকানাটাই এমন- কোনো চিঠি যায় না ওখানে। তবে কী জানিস? আমার মন বলছে তোর সাথে আমার দেখা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি। তখন কিন্তু আমরা অনেক কথা বলবো। অনেক গল্প। দুই বছর হয়ে গেলো তোকে দেখি না।

হাসপাতালের এই ছোট্ট ক্যাবিনে অনেকদিন হয়ে গেলো জানিস নীলিমা?  সাদা চাদরে ঢাকা  আমার বিছানা। পাশে ছোট একটা টেবিল। তিনটি চেয়ার। দেয়াল ও ছাদের রঙটাও সাদা। একটা সিলিং ফ্যান ঝুলছে। খুব একটা চালানো হয় না তা। একটা পুরনো এসি লাগানো উত্তর দেয়ালে। কিছুক্ষণ পরপর গড়গড় করে চালু হয়ে যায় । প্রথম প্রথম শব্দটা খারাপ লাগলেও এখন তা পরিচিত ও আপন বলে মনে হয় আমার। এটা কি মায়া? পাশাপাশি থাকতে থাকতে জড়িয়ে ধরা মায়া।


তোর যখন মরণব্যাধি লিম্ফোমা ধরা পড়ে তখন অনেক দেরি হয়ে গেছিলো। কিছুই করার ছিলো না কারো। দুসপ্তার মাথায় তুই চলে গেলি। কীভাবে গেলি নীলিমা? একবারও কি ভেবেছিলি- তুই চলে গেলে এই পৃথিবীটা আমার কাছে অন্ধকার মনে হবে। আর নিকষ অন্ধকারে মানুষ কদিন বাঁচতে পারে বল? সেই শিশুবেলাটি থেকে আমরা ছিলাম মানিক জোড়। সবাই তাই বলতো। আমরা আসলে তারও বেশি ছিলাম, তাই নারে? দুজনের এক প্রাণ। প্রাণের সই। নীলিমা আর অদৃজা।

সেই নীলিমা। তুই চলে গেলি। আহা। হঠাৎই। আমি কী করে থাকি বলতো? বিধাতা সেটা ভালো বুঝতে পেরেছেন। তুই চলে যাবার পর পাগলপারা আমি একটা সময় থিতু হয়ে আসছিলাম। তখনই শুরু হলো শরীরের  যন্ত্রণাটা। খুব সহজেই ধরা পড়লো। ব্ল্যাড ক্যান্সার! প্রথমে মা আমার থেকে সব লুকোতে চেয়েছিলো। কিন্তু একটা সময় আমি জানলাম। জেনে আমি হেসেছিলাম। শব্দ করেই। কেনো জানিস? ঠিক এই জায়টাতেও তোর সাথে আমার মিলে গেলো বলে। আমরা জীবনের বন্ধু ছিলাম। মরণের সই না হলে কি হবে? তুইই বল নীলিমা। নীল আকাশে তোর নিশ্চয়ই একা লাগছে?


সেই থেকে এই ওষুধ, সেই ওষুধ করে অনেকদিন হয়ে গেলো। আমার মাকে তো চিনিস। সে পাগলপ্রায়। হাসপাতালের এই ক্যাবিনেও অনেকদিন হয়ে গেলো।






কাল এ ঘরের বাইরে যাবো আমি। আহা মুক্তি!  পায়ের কাছে চেয়ারটায় মা এখনো বসা। চোখে চোখ পড়লেই মা হাসে। মায়ের হাসিটা যেনো কেমন। ঠিক আগের মতো না। এগিয়ে এসে মা আমার মাথায় হাত রাখে। কী যে মধুর লাগে মায়ের হাতের স্পর্শ । আমার ঘুম এসে যায়। কিন্তু না। ঘুমালে আমার চলবে না। এই চিঠিটা শেষ করতেই হবে আজ।


নীলিমা, ঘুমোবো না বললেও কাল ঠিক ঘুমিয়ে গেছিলাম। কীভাবে যে! ভোরে ঘুম ভাঙ্গে আমার। দেখি মা তখনও পায়ের  কাছের চেয়ারটাতেই বসা। চোখে চোখ পড়তেই হাসার চেষ্টা করে মা। আমিও।  মায়ের জন্য জন্য খুব কষ্ট বোধ হয় আমার। কারণ আমি জানি, আমার এ রোগ যে পর্যায়ে বাসা গেড়েছে তাতে বাঁচার সম্ভাবনা একহাজার ভাগের এক ভাগ। মাসহ সবাই তাই মিরেকেলের অপেক্ষায় আছে। আচ্ছা মিরাকেল বলে কি কিছু আছে? আমিতো জানি, কোনো মিরেকেলই কাজে আসবে না আর। এক বাঁধন যে আমায় ডাকছে।

নীলিমা, অপারেশন থিয়েটার রেডি। একজন নার্স এসে সযতনে ট্রলিতে শুইয়ে দেয় আমাকে। মা এসে সর্বাঙ্গে জড়িয়ে ধরে আমায়। কপালে চুমু  খায়। ঠোঁটের হাসি তার ভিজে যায় ক'ফোটা চোখের পানিতে। দরোজায় মাকে আটকে দেয় নার্স। আমার এই মনে মনে তোকে চিঠি লেখাটা চলছেই।

অপারশন থিয়েটার  রুমটাকে খুব ঠাণ্ডা  ঠেকে আমার কাছে। এপ্রন-গ্লাভস পরা ডাক্তার এগিয়ে আসে কাছে।হঠাৎ আমার মনে হয় রুমের ছাদটা  অনেকটা নিচে নেমে এসেছে। কী করে এতো নিচে নেমে এলো ছাদটা? আমি মুহুর্তের জন্য খুব অসহায় ফিল করি।  পাশে দেখার চেষ্টা করি। সাদা দেয়াল ছাড়া  কিছুই দেখতে পাই না আমি।

Saturday, September 9, 2017

ফ্রিল্যান্সার'স আই কেয়ার | ড্রাই আই (Dry Eye Syndrome)- কারণ ও প্রতিকার


চোখের সমস্যা নিয়ে সম্প্রতি দুবার ডাক্তারের কাছে যেতে হয়েছে আমার। ভেবেছিলাম হয়তো পাওয়ার চেঞ্জ হয়ে গেছে। বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানালেন যে আমার পাওয়ার ঠিকই আছে। অর্থাৎ, চশমা চেঞ্জ করতে হবে না। কিন্তু আমার আই ড্রাইনেস দেখা দিয়েছে। আমার প্রফেশন সম্পর্কে আরো কিছু প্রশ্ন করে তিনি যা জানালেনঃ
  •  স্বাভাবিকভাবে চোখ সাধারণত যে ক'বার পলক ফেলে, কম্পিউটার / স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের সময় তার চেয়ে অনেক কমবার চোখের পাতা পড়ে। ফলে আমাদের চোখ ড্রাই হয়ে যায়। (When working at a computer or using a smartphone or other portable digital device, we tend to blink our eyes less fully and less frequently, which leads to greater tear evaporation and increased risk of dry eye symptoms.)
ড্রাই আই-এর লক্ষণসমূহঃ
  • Burning sensation
  • Itchy eyes
  • Aching sensations
  • Heavy eyes
  • Fatigued eyes
  • Sore eyes
  • Dryness sensation
  • Red eyes
  • Photophobia (light sensitivity)
  • Blurred vision
করণীয় কীঃ 
ড্রাই আই হলে অনেকভাবে এর প্রতিকার করা যায়। ডাক্তারের সাথে কথা বলার পর এ বিষয়ে আমি কিছু রিসার্চ করি। বিষয় অনেক ব্যাপক। আমি শুধু কটি ফোকাস পয়েন্ট তোলে ধরছি। এখানে দুটি উপায় উল্লখ করা হলোঃ
মেডিক্যাল ট্রিট্মেন্টঃ ডাক্তারের পরামর্শে আর্টিফিশ্যাল টিয়ার ব্যবহার করা যায়। তবে এক নাগাড়ে এক মাসের বেশি চালিয়ে যাওয়া ঠিক নয়।
প্রতিদিনের কর্মাভ্যাসঃ 
  •  আপনার ওয়ার্করুমের লাইটিং এডজাস্ট করে নিন।
  • আপনার চোখ ও আপনার কম্পিটারের উচ্চতা কমফোর্টেবল লেভেলে রাখুন।
  • কাজের ব্রেক নিন (Give your eyes a rest)।
  • প্রতি ৩০ মিনিট কাজের পর ৩০ সেকেন্ড চোখ বন্ধ রাখুন (গুরুত্বপূর্ণ)।
  •  ভালো হয়,  ২০-২০-২০ সূত্রটি ফলো করতে পারেন  (the "20-20-20 rule") Every 20 minutes, spend 20 seconds looking at something 20 feet away. (গুরুত্বপূর্ণ) 
  • ধূমপানকে "নাঃ বলুন (Stop smoking and avoid smoke)
  • আপনার কম্পিটারের ডিসপ্লে লাইটিং এডজাস্ট করুন।  

Saturday, July 8, 2017

ফ্রীল্যান্সিং | ক্লায়েন্ট কড়চা-২



ফ্রীল্যান্সারদের ক্লায়েন্ট নিয়ে অনেক কথা থাকে। বৃত্তান্ত থাকে। মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে ক্লায়েন্টগণই যেহেতু ফ্রীল্যান্সারদের স্কীলস কিনে থাকে, তাই ক্লায়েন্টদেরকে ভালোভাবে বুঝতে পারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । কোনো জবে এপ্লাই করার আগে জেনে নিতে হবে ক্লায়েন্টের মতিগতি। এটা বলা যায় ক্লায়েন্ট ডিলিংস। এটা সহজ কাজ নয়। আর তাই যে এই কাজে দক্ষ তাঁর ভালো ক্লায়েন্টটেল (clientele) থাকে। কাজের জন্য তাঁদের আর কোনো চিন্তা করতে হয় না।

ক্লায়েন্ট-যাচাইঃ কেনো জরুরি?

কোনো জবের জন্য এপ্লাই করার আগে কিংবা কোনো ইনভাইটেশন রিসিভ করার আগে ক্লায়েন্ট -প্রোফাইল ভালোভাবে দেখে নেয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের জন্য ক্লায়েন্ট যেমন সেরা ফ্রীল্যান্সারটি প্রত্যাশা করেন তেমনি ফ্রীল্যান্সার হিসেবে আপনারও প্রয়োজন একজন ভালো ক্লায়েন্ট। একজন প্রফেশনাল ক্লায়েন্ট। এর ব্যত্যয় ঘটলে সর্বনাশ! অতি যত্নে গড়া প্রোফাইলের বারোটা বেজে যেতে পারে আপনার। আর একজন ভালো ক্লায়েন্ট আপনার ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে বহুদূর। তাই যাচাই করুন। বাছাই করুন। তারপর সামনে যান।



কী দেখে নেবেন জবে এপ্লাই করার আগে? 
  • একাউন্টঃ দেখে নিন ক্লায়েন্টের একাউন্ট ভেরিফাইড কিনা। গ্রীন টিক মার্ক পাবেন ভেরিফাইড একাউন্টে। ভেরিফাইড নয় এমন ক্লায়েন্টের দায় ভার আপওয়ার্ক নেবে না।
  • টাইম-জোনঃ ক্লায়েন্টের টাইম-জোন দেখে নিতে পারেন। যদিও বাইডিফল্ট, আমরা বেশিরভাগ ক্লায়েন্টের বিপরীত সময় বলয়ে পড়ে গেছি। 
  • খরচাপাতিঃ  দেখে নিন ক্লায়েন্ট কতোটি কাজে কী পরিমাণ খরচ করেছেন এবং তার এভারেজ আওয়ারলি রেট কতো? এটা দিয়ে তার খরচাপাতির মানসিকতা বুঝতে পারবেন। আর মিলিয়ে নিতে সুবিধা হবে- আপনার আস্কিং রেটের সাথে তা সামঞ্জস্য কিনা। গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এ বিষয়টি। 
  • হায়ারিং রেটঃ কিছু ক্লায়েন্ট আছে - জব পোস্ট দেয়াই তাঁদের বাতিক। হায়ারিং-এর খবর নেই। এসব ক্লায়েন্টের জবে এপ্লাই করে আপনার মূল্যবান কানেক্ট কেনো খরচ করবেন?
  • ফিডব্যাকঃ  ক্লায়েন্ট যেমন আপনার ফিডব্যাক দেখে নেয়। আপনিও দেখে নিন না তার ফিডব্যাক। দেখে নিন - ফিডব্যাক স্কোর এবং ফ্রিল্যান্সারদের করা কমেন্ট। ক্লায়েন্টকে বুঝতে সুবিধা হবে। 

এতোকিছুর পরও হয়তো কিছু সমস্যা থেকেই যেতে পারে। কিন্তু প্রত্যাশা করে যায় - ভালো হবে আপনার ক্লায়েন্ট। সফল হবে আপনার প্রজেক্ট। লেটস বী পজিটিভ।

হ্যাপি ফ্রীল্যান্সিং।
-
২০১৭০৭০৮/১৫২০ 
 

Sunday, July 2, 2017

ফ্রীল্যান্সিং | ক্লায়েন্ট কড়চা



ফ্রীল্যান্সারদের ক্লায়েন্ট নিয়ে অনেক কথা থাকে। বৃত্তান্ত থাকে। মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে ক্লায়েন্টগণই যেহেতু ফ্রীল্যান্সারদের স্কীলস কিনে থাকে, তাই ক্লায়েন্টদেরকে ভালোভাবে বুঝতে পারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । এটা বলা যায় ক্লায়েন্ট ডিলিংস। এটা সহজ কাজ নয়। আর তাই যে এই কাজে দক্ষ তাঁর ভালো ক্লায়েন্টটেল (clientele) থাকে। কাজের জন্য তাঁদের আর কোনো চিন্তা করতে হয় না।

ক্লায়েন্টকে কী সম্বোধন করবেন?

এই প্রশ্নটা প্রায়ই পাওয়া যায় গ্রুপে। এর অনেকরকম জবাবও দেখা যায় সাথেসাথেই।

এই যেমনঃ
>স্যার /ম্যাডাম বলা যাবে না
>স্যার/ ম্যাডাম বলা উচিত
> ব্রাদার/ ব্রো বলা যাবে কিংবা যাবে না
> হাই/ হ্যালো'এর ব্যবহারটা  এমন হবে!!

কিন্তু আসলেই কি এই প্রশ্নের কোনো যথাযথ "সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য" টাইপের কোনো জবাব আছে? কিংবা থাকতে পারে? না। এটা নির্ভর করে ক্লায়েন্ট ও ফ্রীল্যান্সারের একে অন্যকে বোঝার উপর। কমনসেন্স বলা যায় একে। এটা আবার পৃথক হয়ে থাকে ক্লায়েন্টভেদে। কিছু উদাহরণের মাধ্যমে ক্লিয়ার করা যাক।

 অভিজ্ঞতার আলোকে উদাহরণঃ 

# ক্লায়েন্ট-১ঃ 

আমার প্রথম দিককার ক্লায়েন্ট  Christopher. একটি কোম্পানির স্বত্বাধিকারী। আমাদের কথা হতো এমনঃ
- Hi Shohel
-Hello Christopher
যেকোনো বিষয়ে তৎক্ষণাৎ রিপ্লাই পাওয়া যেতো। তেমন কোনো ফরমালিটি নেই। কাজ শেষ হবার সাথে সাথে পেমেন্ট ও ফীডব্যাক। একদিন ভিডিও চ্যাটে তাঁকে পাওয়া গেলো শুধু গেঞ্জি (সামার ভেস্ট) পরা। তাঁর অফিসে। কোনো জড়তা নেই।

 # ক্লায়েন্ট-২ঃ 

প্রায় দেড় বছর কাজ করছি তাঁর সাথে।  নাম বলছি না। ইউএস প্রেসিডেন্টের এওয়ার্ড পাওয়া কোম্পানির মালিক। আমার দেখা সেরা ভদ্রলোক। তিনি আমাকে প্রথম মেসেজই দিয়েছিলেন "হ্যালো স্যার" বলে। এরপর অসংখ্য যোগাযোগে তিনি কখনো "স্যার" কখনো "মাই ডিয়ার ফ্রেন্ড" বলে সম্বোধন করেন। করছেন। বিভিন্ন কারণে তিনি একাধিক বোনাসও দিয়েছেন। অসুস্থতার সময় (আমার এক অপারেশনের সময়)  আমার অনেক আত্মীয় খোঁজ নেননি। কিন্তু এই ক্লায়েন্ট নিয়েছেন।

 # ক্লায়েন্ট-৩ঃ 

একটা কোম্পানির হয়ে কাজ করা। দেড় বছর। কোম্পানির সিইও সহ সবার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। উইকলি ভিডিও মিটিং করতে হয়। এখানে সম্বোধন টা আরো সংক্ষিপ্ত। শুধু নাম ধরে। কোনো স্যার /ম্যাডাম নেই। কোনো হাই/হ্যালোও নেই। শুধু নাম এবং মেসেজ।

 
 আশাকরি একটু হলেও ধারণা পাওয়া গেছে- কীভাবে কায়েন্টের সাথে রিলেশনটা শুরু করা যায়। তবে এটা খুব সত্য, আমাদের দেশের বসদের মতো - "স্যার" শোনে ধন্য হবার মানসিকতা তাঁদের নেই। তাঁদের কাছে কাজ, কমিউনিকেশন আর ইন্টেগ্রিটির মূল্যই সবার উপর (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)।

হ্যাপি ফ্রীল্যান্সিং! 

~
২০১৭০৭০২/১১৩০








Sunday, June 11, 2017

অনিবার্য

বানাতে তোর জীবন সাঁকো
ঠাই দাঁড়িয়ে রোদে,
মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছি
সুখ জাগানো বোধে।

বৃষ্টি ভেজা কাঁদামাখা
কতোইতো গেছে কাল!
পড়শিরা বোকা বলেছে
কেউবা দিয়েছে গাল।

তোর সাফল্যের গড়তে সিঁড়ি
বিলিয়ে আপন সুখ,
অনেক আশায় বেঁধেছিলেম
এই মন পরানের বুক।

স্বপ্ন শ্রম সে যায়নি বৃথা
তুই আজ বড়ো ম্যালা,
সাফল্য আর স্বীকৃতিতে
যেনো শৌর্য বেলা।

এখন কেবল ভুলেই গেছিস
পুরনো সেসব দিন,
জীবন যেনো স্বয়ং বড়ো
নেই কোথাও কোনো ঋণ।
~
২০১৭০৬১১ 


Sunday, May 21, 2017

প'ড়োবোধ

বেলা, তুমি যখন আজকাল 'ভালোবাসি' বলো
আমি তাতে জীবন খুঁজি।
কথার জীবন
বোধের প্রাণ
প্রাণের বোধ
পাইনে তা আমি-
'প্রাণহীন ভালোবাসি'র কোনো জবাব দিতে পারি না আমি।

বেলা, তুমি যখন আজকাল আলিঙ্গনে জড়াও
আমার রক্ত আর নাচে না আগের মতো।
আলিঙ্গনেরও প্রাণ থাকে জানো,
থাকে উন্মাতাল বোধ!
তবে কেনো হিম হয়ে আসে হৃদয় আজ
তোমার সঘন আলিঙ্গনে?
বলতে পারো, বেলা?

সময়যাপন ক্রমশ যান্ত্রিক থেকে তদুপর
প্রাতে ঘুম ভাঙ্গার পর তোমার প্রথম দৃষ্টি আজ যন্ত্রে
ঘুমোনোর আগেও তাই ।
তোমার পাশে থেকে আজ আমি শুধু প'ড়োবোধ পড়ে যাই
প্রতিদিন
প্রতিরাত!!

Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়