Mother serious, come at once. - এটা কোনো গল্প নয়!
হ্যাঁ। ঠিক এ কথাটাই লেখা ছিলো টেলিগ্রামের মেসেজে। লাঞ্চ করে বেরিয়ে লেটার র্যাকে টেলিগ্রামটি পাই। তখন ঊনিশ-বিশের তরুণ। নতুন চাকরিতে জয়েন করেছি। পোস্টিং ছিলো চট্টগ্রামে। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রাতের ট্রেন তূর্ণা নিশীথাতে বাড়ি পৌঁছাতে সকাল ৯-১০টা হবে।
ততক্ষণে মা নেই।
আমার যে ভাইটি আজ আমার থেকে বড়ো- সে তখন শিশু। আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে সে। আমি কাঁদতে পারি না। বাড়ির সামনে নোলকজবা গাছটির পাশে সবাই মিলে মাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে দেয়।
যখন মা ছিলো, তখন মোবাইল ছিলো না। টেলিফোন দুস্প্রাপ্য। কিন্তু একটা অন্যরকম নেটওয়ার্ক ছিলো মায়ের মন ঘিরে। বাইরে থেকে যতবার বাড়ি গেছি- মাকে পেয়েছি বাড়ির সামনে- আমার অপেক্ষায়। মা বলতো- "আমি জানতাম আজ তুই আসবি।" মা সত্যিই জানতো। কোনো সন্দেহ নেই।
আমি জানি- দিবস ঘিরে মা থাকে না। মা থাকে নিয়ত। প্রতিনিয়ত। আবিরাম মনে। তবু আজ সবাই যখন আজ মায়ের ছবি দিয়ে মায়ের কথা বলছে- আমার ভেতরে ডুকরে ডুকরে ওঠছে।
--
২০১৬০৫০৮/১২৩১
হ্যাঁ। ঠিক এ কথাটাই লেখা ছিলো টেলিগ্রামের মেসেজে। লাঞ্চ করে বেরিয়ে লেটার র্যাকে টেলিগ্রামটি পাই। তখন ঊনিশ-বিশের তরুণ। নতুন চাকরিতে জয়েন করেছি। পোস্টিং ছিলো চট্টগ্রামে। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রাতের ট্রেন তূর্ণা নিশীথাতে বাড়ি পৌঁছাতে সকাল ৯-১০টা হবে।
ততক্ষণে মা নেই।
আমার যে ভাইটি আজ আমার থেকে বড়ো- সে তখন শিশু। আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে সে। আমি কাঁদতে পারি না। বাড়ির সামনে নোলকজবা গাছটির পাশে সবাই মিলে মাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে দেয়।
যখন মা ছিলো, তখন মোবাইল ছিলো না। টেলিফোন দুস্প্রাপ্য। কিন্তু একটা অন্যরকম নেটওয়ার্ক ছিলো মায়ের মন ঘিরে। বাইরে থেকে যতবার বাড়ি গেছি- মাকে পেয়েছি বাড়ির সামনে- আমার অপেক্ষায়। মা বলতো- "আমি জানতাম আজ তুই আসবি।" মা সত্যিই জানতো। কোনো সন্দেহ নেই।
আমি জানি- দিবস ঘিরে মা থাকে না। মা থাকে নিয়ত। প্রতিনিয়ত। আবিরাম মনে। তবু আজ সবাই যখন আজ মায়ের ছবি দিয়ে মায়ের কথা বলছে- আমার ভেতরে ডুকরে ডুকরে ওঠছে।
--
২০১৬০৫০৮/১২৩১
No comments:
Post a Comment