স্বাধীনতা ভোরের সোনা রোদ
শিশুবেলার হইচই আর আমোদ।
স্বাধীনতা তপ্ত দুপুরে মিঠে বটের ছায়া
কী সুখে ঘুমায় মাটির মানুষ-অপার মায়া।
স্বাধীনতা শত-নদী তীরে প্রসন্ন বিকাল
বালুচরে খেলা করা দুরন্ত কিশোরকাল।
স্বাধীনতা সুখ-সাঁঝ বেলায় পাখির গান
কিচিরমিচির আহা কী প্রাণ, কলতান।
স্বাধীনতা চাঁদের হাসির বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ার
পাগল পারা স্নিগ্ধতা যেনো খুলে দেয় দুয়ার।
স্বাধীনতা শস্যের মাঠ; সবুজ অবারিত
গাঁয়ের কৃষক গলা ছেড়ে গায় সুমোদিত।
স্বাধীনতা কিশোরের হাতে ইচ্ছেঘুড়ি চিল
আলতা-পা কিশোরীর দুরন্তবেলা অনাবিল।
স্বাধীনতা বৈশাখী ঝড়- হুংকারে আসে
আনে প্রাণ আফুরান, জরা জীর্ণতা নাশে।
স্বাধীনতা টিনের চালে রিমঝিম অবিরাম বৃষ্টি
পুকুরে সোনা হাঁস জলকেলি করে নন্দ-দৃষ্টি।
স্বাধীনতা শরতের কাশবন, নদী তটে সুষমা
ফুলকলি মেলে দল, ইচ্ছে শতদল রূপ-কুসুমা।
স্বাধীনতা ঘরে ঘরে হেমন্তের সুখ বারতা
নবান্নের আলো ঝলোমলো করে,কাটে জড়তা।
স্বাধীনতা শীতের শিশির ভেজা সতেজ ভোর
রূপ্নীল সূর্য খুলে দিয়ে যায় নূতন বাহুডোর।
স্বাধীনতা ফাগুনের আগুন, বাসন্তী অনুরাগ
বাউড়ি মন ইচ্ছে আকাশে মেলে নব পরাগ।
স্বাধীনতা, স্বাধীনতা আহা আমারই স্বাধীনতা
দিয়েছে আমারে সেরা অনুভূতির মাধীনতা।।
##২০১৪০৩১৭##
No comments:
Post a Comment