Monday, March 30, 2015

লতিফাঃ কবির অকাল

কবিতা লিখে পয়সা জোটে না
কবিতা লিখা ঠিকতো মোটে না
বউ রেগে বলে-"কবিতা লেখা ছাড়ো
প্রেমোপন্যাস লিখো যদি পারো"
ভাবছি কষ্টে বিকিয়ে দেবো কি সবই
আহা আমা্য কে যে করেছিলো কবি!
--
৩০/৩/১৫



ভার্চুয়াল

দু’দিন থেকে দীপকে খুঁজে পাচ্ছে না রুনি। এই দু’দিন তার কাছে মনে হচ্ছে অনন্তকাল। ফেসবুকে চোখ তার নিবদ্ধ। খুঁজে ফিরছে সেখানে দীপের উপস্থিতি। কোনো স্টাটাস আপডেট। কোনো ইনবক্স মেসেজ। অথবা নামের পাশে সবুজ চিহ্নটি যা বলে দেবে দীপ আছে অনলাইনে। ফেসবুকে। কিন্তু সবই অসার ঠেকছে। কোনো ট্রেস পাওয়া যাচ্ছে না দীপের। এমনটি হয়নি কখনো।
দু’বছর পেরিয়ে গেছে – দীপ-রুনির পরিচয়। পরিচয় হবার পর কোনোদিন তারা বিচ্ছিন্ন থাকে নি। প্রতিদিন কথা হয়েছে । একজন অন্যজনের স্ট্যাটাসে মন্তব্য প্রতিমন্তব্য করেছে। তবে সবই ফেসবুকে। ফেসবুক মেসেঞ্জারে লাখো কথা হয়েছে তাদের। হয়েছে ভাবের বিনিময়। পরিচয়ের পর সাধারণ ফেসবুক বন্ধু থেকে রুনি আর দীপের সম্পর্কটা একটু বেশি আন্তরিকতায় রূপ নেয়। বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু। তখনই  তারা ঠিক করেছিলো- ফেসবুকে যেহেতু তাদের পরিচয় হয়েছে, তাই ফেসবুক ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে তারা কথা বলবে না। যোগাযোগ করবে না। যেদিন তাদের দেখা হবে, সেদিন থেকে তারা অন্যসব মাধ্যমেও কথা বা ভাব বিনিময় করবে। কখনো একজন অন্যজনের ফোন নম্বর পর্যন্ত বিনিময় করেনি।তবে ঠিকানা জানা ছিলো একে অন্যের।  এক অদ্ভুত খেয়ালী ভালোবাসা। এরকম সিদ্ধান্তটা ছিলো রুনির। দীপ মেনে নিয়েছিলো।  এ নিয়ে তাদের কথোপকথন মনে পড়ে রুনিরঃ
“রুনি, তোমার ফোন নাম্বার দাও। আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।“
“না , আমি আমার দীপের কণ্ঠ ফোনের মধ্য দিয়ে শুনতে চাই না। আমি তোমার কথা, তোমার প্রথম কথা সরাসরি শুনতে চাই। তোমার নিঃশ্বাসের কাছে থেকে। আমি তোমার কণ্ঠস্বরের গন্ধ শুঁকে দেখবো দীপ। প্লিজ, তুমি আমার কথাটা রাখো।“
“আচ্ছা, রুনিমনি। তোমার কথাই মেনে নিলাম।“ – কথা আর বাড়ায়নি এ নিয়ে দীপ। সত্যি বলতে কি, আইডিয়াটা তারও ভালো লাগছিলো। নিঃশ্বাসের কাছাকাছি দু’জন। কথাগুলো থাক না সে সময়ের জন্য তোলা। আহা।
একটা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস চেপে আবার চোখ রাখে রুনি তার ল্যাপটপের স্ক্রীনে। ফেসবুক। না। নেই। নূতন কোনো আপডেট নেই দীপের টাইমলাইনে । বুকটা হাহাকার করে ওঠে। কেনো – জানে না রুনি। প্রতীক্ষার হুল হৃদয়ে ফুটে তার।
“জানো রুনি, আমাদের সমাজে ভার্চুয়াল জগৎ নিয়ে অনেক নেতিবাচক সমালোচনা আছে। আছে বদনাম। কিন্তু কী জানো, আমি চাই- আমাদের রিলেশনশীপের সুন্দর পরিণতি দিয়ে এটা বুঝিয়ে দিতে  যে, ভার্চুয়ালেও ভালো সম্পর্ক হয়। স্বচ্ছ সম্পর্ক রচনা সম্ভব। ভার্চুয়াল হবে সত্যিকার অর্থেই ভার্চুয়াল বা গুণের।“  খুব জোর দিয়ে বলতো এসব দীপ। “ তোমার পড়াটা শেষ হলে আমি ফ্যামিলিতে জানিয়ে সব ব্যবস্থা করবো। মাত্র তো একটি বছর আর।“
দীপের কথাগুলো খুব ভালো লাগতো রুনির। এতো সহজভাবে এতো সুন্দর চিন্তা করে দীপ! কেবল মুগ্ধ হয় রুনি। ভাবতো – আর একটিই তো বছর। গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট হবে তার। যুক্তরাজ্যে সে লেখাপড়ার উদ্দেশ্যই আসেনি। রুনির বাবা এখানে একটা ব্যবসা করছে। অনেক আগে বাবা পরিবার নিয়ে হবিগঞ্জ থেকে এখানে পাড়ি জমিয়েছিলো। প্রথমে চাকরিই করতো। গেলো ক’বছর হলো নিজের ব্যবসায় হাত দিয়েছে। রুনির বিশ্বাস – তাদের সম্পর্কটা মেনে নেবে বাবা মা। অসাধারণ একটি ছেলে দীপ। বুয়েট থেকে পাশ করে গেলো বছরই একটা ভালো চাকরিতে জয়েন করেছে সে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। পোস্টিং ঢাকাতেই। দীপ একজন আর্কিটেক্ট। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হলো তার মন। সময়, দেশ আর জীবন সম্পর্কে দীপের চিন্তাচেতনা বরাবরই রুনিকে উদ্দীপ্ত করে। দীপের পজিটিভ ইমপালস দেখে রুনি অবাক হয়। এতো সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশ নিয়ে তার স্বপ্নের শেষ নেই।
কিন্তু কী হলো হঠাৎ! কেনো পাওয়া যাচ্ছে না দীপকে। আর ভাবতে পারছে না রুনি। খুব যন্ত্রণা হচ্ছে মাথায়। মা ডেকে গেলো খাবার জন্য। যায় নি। ঘরের লাইট অফ করে মাথা চেপে শুয়ে পড়ে রুনি।
পরদিনও কোনো ট্রেস পাওয়া গেলো না দীপের। আর ভাবতে পারছে না রুনি। কী করবে সে এখন? দীপ কি তাকে ভুলে গেলো? এভয়েড করছে? না তা হতেই পারে না। দীপ তা করতেই পারে না। তাহলে দীপ কি কোনো বিপদে পড়লো? অসুস্থ হয়ে পড়লো কি সে? কান্না পেয়ে আয় রুনির। সে আর ভাবতে পারে না।
শুধু ফেসবুকে পরিচিত হয়ে মানুষের এতো কাছে আসা যায় – এ যেনো ভাবনারও বাইরে। যাকে কখনো চোখে দেখেনি, যার সাথে ফোনেও কথা হয়নি – সেই মানুষটির জন্য তার এমন মায়ায় প্রথম প্রথম আশ্চর্য লাগলেও এখন শুধু মুগ্ধই হয় রুনি। দীপের জন্য তার এই ভালোবাসাও অপর্যাপ্ত ঠেকে। কিছু কিছু ভালোবাসা বুঝি এমনই হয়। না ছুঁয়েও স্বর্গ-সুখের ছোঁয়া পাওয়া যায়।
একেবারে মুষরে পড়ে রুনি। পড়াশোনা, খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে পাগলপ্রায় অবস্থা তার। মায়ের দৃষ্টি এড়ায় না। প্রথমে বলতে না চাইলেও, মায়ের জোরাজুরিতে বলতে বাধ্য হয় রুনি। সব। প্রথম থেকে শেষ। খুলে। রুনির মা তার মেধাবী একমাত্র মেয়ের মনের অবস্থা বুঝতে পারে। রুনির বাবাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলে। মেয়ের জেদ সে দেশে এসে দেখবে কী হয়েছে দীপের। কোনোভাবেই তাকে নিবৃত্ত করা সম্ভব হলো না। অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো – রুনির মা তাকে নিয়ে দেশে যাবে। 
ঢাকায় যখন রুনিরা ল্যান্ড করে তখন বিকেল। এখান থেকে গাজীপুরের ছায়াবীথি এক ঘন্টার পথ। দীপদের বাড়ি। একটা গাড়ি ভাড়ায় নেয় তারা।
দীপ গত কিছুদিন থেকে  রুনিকে দেখার জিদ করতো। বলতো- “রুনি তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছে। এটা এমন নয় যে, আমি কোনোভাবে ভুলে যেতে পারি। তোমাকে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছেটা শুধু ছুঁয়ে দেখেই শেষ হতে পারে। কিংবা কী জানি, তোমাকে ছুঁয়ে হয়তো ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকার ইচ্ছেটাই জ্বলে ওঠবে হৃদয়ে।“
“কী রে মা! এতো কী ভাবছিস? দেখিস, দীপের কিছু হয়নি।“ মেয়ের মাথায় হাত রাখে রুনির মা।
মেয়ে শুধু বিষন্ন চোখ তুলে মায়ের দিকে তাকায়। কিছু বলে না। যেনো অনেক কিছু বলে যায়। রুনির মা মেয়েকে কাছে টেনে নেয়। একটু ফুঁপিয়ে ওঠে রুনি।
ছায়াবীথিতে দীপদের বাড়ির নাম “নিঝুম”। বাড়ির সামনে এসে থামে রুনিদের গাড়ি। বাড়ির পরিবেশ বলে দেয় – কষ্টের চাঁদরে ঘেরা এ অঙ্গন। একটা ভেজা কান্নার ছোঁয়া এসে যেনো লাগে তাদের গায়ে। রুনি স্পষ্ট টের পায়- কিছু ঠিক নেই এখানে। কিছুই ঠিক নেই। বুকটা হাহাকার করে ওঠে তার।
বাড়ির পাশেই নূতন কবরটা। হাঁটু গেঁড়ে বসে আছে রুনি। পাশে রুনির মা, দীপের ছোটবোন, মা বাবা। এমন কষ্টের দৃশ্য  কেউ কি দেখেছে কভু!পশ্চিমাকাশে সূর্যটা অস্তমিত প্রায়।
সেদিন অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে গিয়েছিলো দীপ।  বিকেলে ফিরছিলো দীপ অফিসেরই মাইক্রোবাসে। হোতাপাড়ার কাছে একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ। মুখোমুখি। তিনজনের মৃত্যু হয় স্পটেই। মারাত্মক আহত দীপকে ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে নেয়া হয়। দুদিন লড়েছিলো জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে। চলে যায় না ফেরার দেশে। 
“তুমি আমার নিঃশ্বাসের কাছে থেকে কণ্ঠের গন্ধ নিতে চেয়েছিলে দীপ। ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছিলে। ছুঁয়েছুঁয়ে থাকতে চেয়েছিলে দীপ। আমি আজ তোমার খুব কাছে দীপ। ছুঁয়ে দেখো আমায়। একটিবার। একটিবার দীপ।“ হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে রুনি। রুনিকে কাছে টেনে নেয় দীপের মা। বোবা কান্না দীপের মায়ের চোখে। অলপক নিঃশব্দ হাহাকার নিয়ে দীপের মায়ের বুকে মুখ গোঁজে রুনি।

Sunday, March 29, 2015


আজ “বিশ্ব কবিতা দিবস”। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ মার্চকে বিশ্ব কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী কবিতা পাঠ, রচনা, প্রকাশনা ও শিক্ষাকে উৎসাহিত করা। ইউনেস্কোর অধিবেশনে এই দিবস ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল, “এই দিবস বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কবিতা আন্দোলনগুলোকে নতুন করে স্বীকৃতি ও গতি দান করবে।”
পূর্বে অক্টোবর মাসে বিশ্ব কবিতা দিবস পালন করা হত। প্রথম দিকে কখনও কখনও ৫ অক্টোবর এই উৎসব পালিত হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রোমান মহাকাব্য রচয়িতা ও সম্রাট অগস্টাসের রাজকবি ভার্জিলের জন্মদিন স্মরণে ১৫ অক্টোবর এই দিবস পালনের প্রথা শুরু হয়। অনেক দেশে আজও অক্টোবর মাসের কোনো দিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কবিতা দিবস পালন করা হয়।এই দিবসের বিকল্প হিসেবে অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসের কোনো দিন কবিতা দিবস পালনেরও প্রথা বিদ্যমান।
কবিতা কী? কবিতার গুরুত্ব কটোটুকু আজকের এই সমাজে? – এসব নিয়ে বিতর্ক হয়তো করা যায়। কিন্তু কবিতা যে হৃদয়ের সুকুমারবৃত্তিকে লালন করে তাতে সন্দেহ নেই। কবিতা অনেকক্ষেত্রেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বড় হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করে। বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রমে সমকালীন কবিতাকে গুরুত্ব দেয়া হয় না। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা মনে করে, কবিতা হলো কিছু মানুষের অপ্রয়োজনীয় সৃষ্টি কিংবা মিথ্যা ভাষ্য মাত্র। তবে কবিতাকে আমরা কীভাবে মোকাবিলা করি কিংবা কবিতা আমাদের চেতনাকে কতটা জাগ্রত করে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কবিতায় সমসাময়িক বিষয় ওঠে আসবে এটা স্বাভাবিক। কবি এস টি কোলরিজের মতে—‘কোনো কবিই বড় কবি হতে পারেননি সত্যসন্ধ দার্শনিক হওয়া ছাড়া।’
আজকের দিনে, আমাদের কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ –এর “আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি” কবিতার অংশবিশেষ তোলে ধরার লোভ সামলাতে পারছি নাঃ
“জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা,
কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।“

—
তথ্যসূত্রঃ বাংলা উইকিপিডিয়া
===
২১/৩/১৫

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসঃ প্রত্যাশা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ। স্বাধীনতা ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে এক পরম আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাঙালি দেশমাতৃকাকে রক্ষার উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র। আক্রমণকারী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নেমেছিল সশস্ত্র যুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বিজয় অর্জিত হয়। অর্জিত হয় স্বাধীনতা। আমাদের এই স্বাধীনতা অনেক রক্ত আর অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আজ গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের। মুক্তিযুদ্ধে শহীদগণ তাদের বর্তমানকে বিসর্জন দিয়ে গেছেন এ দেশের ভবিষ্যৎকে সুন্দর করার জন্য। শ্রদ্ধা জানাই স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের সব সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাকে।
স্বাধীনতা অর্জনের পর কেটে গেছে অনেক বছর। জাতি আজ স্বাধীনতার ৪৪ বছর উদযাপন করছে। মহাকালের বিচারে এটা অনেক লম্বা সময় না হলেও জীবনকালের হিসেবে তা নেহায়েত কম নয়। এরকম সময়ে উন্নতির নজির স্থাপন করতে পেরেছে কোনো কোনো জাতি। আজ আমাদের বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন -স্বাধীনতার এতো বছরে আমরা কতটা এগোতে পেরেছি? কতোটা পূরণ হয়েছে আমাদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশা?
বিগত তেতাল্লিশ বছরে আমাদের অর্জন একেবারে কম না। কিন্তু তা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে কিনা তা ভাবনার অবকাশ রাখে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও গণতন্ত্র শক্ত ভিত্তিতে দাঁড়িয়েছে – এমনটি বাস্তবতার আলোকে বলা যায় না। সহনশীলতা, ধৈর্যশীলতা আর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আর অন্যের মতকে মূল্য দেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আরো অনেক পথ হাঁটতে হবে। রাজনীতি নিয়ে মানুষ যেনো উদ্বেগ ও শঙ্কায় না থাকে।
আমরা একটা পজেটিভ বাংলাদেশ দেখতে চাই। উদ্বেগ-শঙ্কা থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ একটি শান্তি ও সাম্যের দেশ হবে। অর্থনৈতিক বিকাশলাভের মধ্য দিয়ে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হব প্রাণের বাংলাদেশ। মহান স্বাধীনতা দিবসে এটুকু প্রত্যাশা।
সবাইকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা …
Dhaka
26/3/2015

লিমেরিকঃ সত্য- মিথ্যে

মিথ্যে বলা এখন কোনো দোষের না
সত্য বলা কেবল যেনো হুঁশের না
সত্য বন্দি ফাঁদে
কষ্টে শুধু  কাঁদে
সততা আর নিষ্ঠা আজ আর পোষের না

-
২০১৫০৩২৯ 

লতিফাঃ জোশের মিথ্যে

মিথ্যে বলা এখন কোনো দোষের না
সত্য বলা কেবল যেনো হুঁশের না
সত্য বন্দি ফাঁদে
কষ্টে শুধু  কাঁদে
সততা আর নিষ্ঠা আজ আর পোষের না
কপটতা ছাড়া  কিছু জোশের না।
-
২০১৫০৩২৯ 

Friday, March 27, 2015

যখন তুমি না থাকো সমুখে

যখন তুমি না থাকো সমুখে
থাকো স্পর্শ-সীমানা-প্রাচীরের বাইরে
তখন আসলে ভীষণভাবেই থাকো।

জেগে থাকা ক্ষণগুলো সাজায় ভেতরবাড়ির কোমল আঙিনা
তোমায় নিয়ে ভাবনারাশি দিয়ে- থরেথরে
অণু অনুভব
বড়ো তুলতুলে
ছুঁয়ে যায় মমতায়- জড়িয়ে থাকে কেউকেউ সোহাগী আঙুলের আলিঙ্গনে
তুমি দূরে থেকেও তাই
থাকো আমাতেই- অন্তলীন।

তুমিহীন নিদ্রাকাল আমার
সেতো হিরণ্ময় -
মাতামাতি তোমায় নিয়েই
স্পর্শ-সুখের অমিয় প্লাবনে শান্ত-তরী অনন্ত জলধির পথ ধরে।

যখন তুমি না থাকো সমুখে
ভীষণভাবেই থাকো আসলে।
--
ঢাকা
২০১৫০৩২৭


When You Stay Away
=============

When you are not before sight
Stay away
Far from the line of touch
Actually you remain with me
Boldly
Fervently
Inseparably.

Moments  adorn my pulpy  inner core shore
With my craving thoughts for beloved you
In great care 
Artistic
My 'feel' my gleam of love for you sweetheart
Touches me with palpable pure adore and amour
I just get you
You splash in me
Distance doesn't stand value at all.

My sleep or nap without you
Blazes golden to me
Feel your crush in dreams
My calm boat sails to stormy Ocean.

When you stay away
You remain with me desperate in reality.

Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়