Sunday, October 13, 2019

নতুন তুমি | পরানের কথা


নতুন তোমায় চিনতে আমার
চিকন একটা কষ্ট হয়,
যত্নে গড়া একটি টগর
এমন করেই নষ্ট হয়!
#অণুঅনুভব 
#পরানেরকথা

স্বজন সুজন | পরানের কথা


পরানের কথা

হাজার তোমার বন্ধু-সুজন
শতেক 'সনদ-স্বজন',
প্রয়োজন আর বিপদকালে
বুঝবে 'আপন' ক'জন!
~
#অণুঅনুভব 
#পরানেরকথা

মনের ব্যালকনি

তোর মনের ওই ব্যালকনিতে
চাই যে হতে সবুজ ঘাস,
নিঃশ্বাসে অক্সিজেন হবো
নিত্য তোরই বোধে বাস।
#অণুঅনুভব
#পরানেরকথা


আবেগ বিবেক | পরানের কথা

আবেগ নিয়ে খেলা করো
বিবেক নিয়ে বাজি,
মিথ্যেটাকে সত্য বানাও
অপূর্ব কারসাজি।
#অণুঅনুভব
#পরানেরকথা


Saturday, September 7, 2019

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সরকারি আইডিকার্ড: প্রতিক্রিয়া ও পেশাদারিত্ব সম্পর্কে দুটি কথা

সরকার ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আইডি কার্ড দেবে- এ মর্মে খবর প্রকাশের পর থেকে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে তুমুল প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এসব প্রতিক্রিয়ার বেশিরভাগই নেতিবাচক- হাতেগোনা দু'একজন পক্ষে কথা বলেছেন।

আমার এ লেখার উদ্দেশ্য প্রস্তাবিত এই আইডি কার্ডের পক্ষে কিংবা বিপক্ষে নয়। মূলত, বস্তুনিষ্ঠ দুটো কথা বলতে চাই। বিশেষকরে, আমাদের ফ্রিল্যান্সার ভাইবোনের মধ্যকার তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং এর প্রকাশভঙ্গি নিয়ে, যেখানে লুকিয়ে আছে আমাদের পেশাদারিত্বের প্রশ্নটি।

অনুগ্রহকরে, শিরোনাম দেখেই কিংবা ভালো করে না পড়ে কেউ মন্তব্য করবেন না।

ফ্রিল্যান্সারদের প্রতিক্রিয়া: 

বিভিন্ন পোস্টে এবং কমেন্টে [আমার দেখা মতে], নেগেটিভ প্রতিক্রিয়াই বেশি এসেছে। আর নেতিবাচক বলতে গিয়ে স্বপক্ষে যুক্তি এসেছে প্রধানত দুটি:

[১] ইনকাম ট্যাক্স আরোপের পাঁয়তারা
[২] পেপাল না আনতে পারার বিষয়টি

ট্যাক্সের বিষয়ে আমি একমত। হতে পারে ড্যাটাবেজের আওতায় এনে হয়তো ট্যাক্সের আওতায় নিয়ে আসবে সবাইকে।
কিন্তু লক্ষ্য করুন- এই আইডি কার্ড না হলেও কিন্তু ট্যাক্স আরোপ হতে পারে। নির্বাহী আদেশে '২৪ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সারদের ট্যাক্স এক্সেম্পটেড আছে। এরপর কী হবে আমরা জানি না। এখনো তো আমরা ট্যাক্স রিটার্ণ দিচ্ছি। আপনি - আমি যদি বৈধ পথে ইনকাম বাংলাদেশে নিয়ে আসি, তবে এই কার্ড না হলেও সরকারের কাছে অনেক/যথেষ্ট মেকানিজম আছে, ট্যাক্সের আওতায় আনার জন্য। তাই এই কার্ড আর ট্যাক্সকে যারা এক করে ফেলছেন, তারা কি ঠিক করছেন?

এই কার্ড ফ্রিল্যান্সারদের একটি সোশ্যাল স্ট্যাটাস দিচ্ছে। এতে খারাপ কিছু কি আছে? একজন ফ্রিল্যান্সারের অনেক ইনকাম থাকতে পারে। এর সাথে তাঁর জন্য একটি সামাজিক/ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকা কি দোষের? ব্যক্তিগতভাবে, আমি ফ্রিল্যান্সারদের বেশকিছু মিট-আপ/ গেট-টুগেদারে অংশগ্রহণ করার সুবাধে দেখেছি অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার এই সোশ্যাল স্ট্যাটাসের বিষয়টি তুলে এনেছেন। তাঁরা এটি চান তা অনেক আলোচনায় উল্লেখ করেছেন।

এখন আসা যাক পেপাল বিষয়ে। সম্পূর্ণ একমত যে, পেপাল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় এবং সরকার বারবার আশা দিলেও এখনো ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি এ থেকে বঞ্চিত। অনেকে হয়তো ক্ষতির সম্মুখীনও হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্পপক্ষের উচিৎ দ্রুতই পেপাল সেবা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা।


প্রকাশভঙ্গি এবং পেশাদারিত্ব: 

এই আইডি কার্ড নিয়ে আলোচনা/সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকেই এমনভাবে মন্তব্য করেছেন/ করছেন যা ঠিক একজন প্রফেশনালের পক্ষে মানায় না। শোভন দেখায় না। অনেকে 'শালীন নয়" এমন অনেক শব্দের ব্যবহার করছেন যা গঠনমূলক সমালোচনার পর্যায়ে পড়ে না। এসকল মন্তব্য/ প্রকাশ কিন্তু আমাদের পরিচয়কেই প্রকাশ করে। অথচ কোনো সন্দেহ নেই, এই আমাদের এই ফ্রিল্যান্সার ভাইবোনেরাই কিন্তু গ্লোবাল মার্কেটপ্লেসে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিচ্ছে। সুনাম বয়ে আনছে। শুধু স্কিলস জানাই যথেষ্ট নয়- কমিউনিকেশন/ বিহেভিওরিয়াল এপ্রোচও সমান গুরুত্বপূর্ণ।  যারা পারছেন না, ঝরে পড়ছেন। তো গ্লোবাল মার্কেটের একজন পাক্কা পেশাদার দেশীয় প্ল্যাটফর্মে অপেশারিত্বের পরিচয় দিলে কি ভালো দেখায়?


আরো একটা ট্রেন্ড লক্ষ্য করেছি আমি। এই ফেববুক এরেনাতে আজ একটা বিষয়কে মাথায় তোলে সবাই মিলে, আবার দুদিন পরই একই বিষয়কে তারাই আবার পায়ে ঠেলে দেয়। এবং ভাইস-ভার্সা। আমরা যেনো তেমন না হই।

সবার জন্য শুভকামনা।
হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং। 



Saturday, August 31, 2019

সামাজিক, সুসামাজিক এবং অসামাজিক

ফেসবুকে প্রতিদিন একাধিক পোস্ট করা হতো। অনেকটা লাইফ ডায়েরির মতো ব্যবহার করেছি একে। ২00৯ থেকে। একদম নিয়মিত বলতে যা বোঝায়, তাই ছিলাম। গত কয়েকমাস থেকে ফেসবুকের প্রতি ভালোবাসাটা অনেকটা হারিয়েছি। কিংবা বলা যায় আসক্তি কমেছে। টাইমলাইনে সর্বশেষ পাবলিক পোস্ট করা হয়েছে প্রায় তিন সপ্তাহ আগে।

এসময়ে মাঝেমধ্যে ফেসবুকের পাতায় চোখ রেখেছি। বইটি পাঠ করে মোটিভেটেড হতে চেয়েছি। দুর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্যক্রমে এখনো মোটিভেটেড হতে পারিনি। কয়েকবার কিছু পোস্ট করতে গিয়ে শেষমেশ পারিনি।  'অনলি মি' হয়ে গেছে। 

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক বাংলাদেশে 'সাংঘাতিক' জনপ্রিয় এবং অতীব ব্যবহৃত। অপ্রাপ্ত, প্রাপ্ত এবং অতিপ্রাপ্ত- সব বয়েসের মানুষই ফেসবুকভক্ত। এভাবেই  আমরা সবাই এখন সামাজিক, সুসামাজিক।

ভাবছি- আমি এখন যে আমি অনিয়মিত হয়ে আছি, আমি কি সামাজিক আছি? আমাকে কি অসামাজিক বলে গণ্য করা হবে?

এখন তো আমি বন্ধুদের পোস্ট/ লেখায় রিয়েকশন ও একশন করছি না-

- অসাধারণ / চমৎকার / অনিন্দ্য/ নেক্সট/  Prefect/ Superb/ Excellent [ ছবি ভালো লাগলো কি লাগলো না কিংবা লেখা পড়লাম কি পড়লাম না সেটা মূখ্য নয়]
- Get well soon [জানতে চাইছি না- কী হয়েছে কিংবা কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি কি না।
- ইন্নালিল্লাহ / RIP [বেদনাবোধ হোক বা না হোক তা কোনো বিষয় না। জানতেও চাই না- কী হয়েছিলো!]
- অভিনন্দন / Congrats [বিষয়টা বুঝি বা না বুঝি কিংবা কখনো মনেমনে অখুশি হলেও। মানুষতো মন দেখতে পায় না। হাহাহা]

এই সবগুলো পয়েন্টের আবার ভাইসভার্সাও আছে। অর্থাৎ, নিজের লেখায়/ পোস্টে বন্ধুদের একশন/রিয়েশন। 

[আমাদের অনুভূতিগুলো যেনো রঙ বদলাচ্ছে। আচ্ছা, অনুভূতিরাও কি অনুভুতিহীন হয়? পারে?]



পাদটীকা: কখনো মনের বাইরে গিয়ে ফেসবুকে রিয়েশন বাটনও চেপেছি বলে মনে পড়ে না। এজন্য অনেকসময় অনেক কিছু এভয়েড করে গেছি। আর পেশাগত কারণেও আমার ফেসবুক কাজে লাগে কখনো কখনো। এই বইয়ে তাই নিবন্ধিতই থাকছি। আর হয়তো একসময়, সামাজিক কিংবা সুসামাজিকও হয়ে ওঠতে পারবো আবার।

বন্ধুসকল, কেমন আছেন? সুন্দর হোক প্রতিক্ষণ। 


Sunday, August 4, 2019

অণু অনুভবে বন্ধু

(১)
বন্ধু মানি তাকেই
পরম সুখে
চরম দুঃখে
হৃদয়ে যে থাকেই।

(২)
বন্ধু মানি তাকেই
চোখের 'পরে
অনেক দূরে
হৃদয়ে যে থাকেই। 

(৩)
 বৃত্তজুড়ে আমার ভালোবাসা
তুমি শুধু বিন্দু ছোঁয়া দিও,
জানুক বা না জানুক কেউ ধরায়
তুমিই আমার অন্ত:বন্ধু প্রিয়।
‪#‎অণুঅনুভব‬

Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়