Friday, July 5, 2019

জীবনসমগ্র- অণু অনুভবে জীবন

জীবন কি এক নদীর সমান
নাকি জীবন দীর্ঘতর!
যায় কি বোঝা জীবন-দৈর্ঘ্য
মেপে শুধু শির গতর?
 
"আমার সময় আমার জীবন
এসব অসার নয় আমার
হৃদয় পাড়ে পরান দিয়ে
সাজাই তবে কার খামার?"

জীবনটা কি আকাশসম
কিংবা তারচে' কমবেশি!
জীবন আপন, চাই না জীবন
জীবনভাবনায় ভ্রম বেশি!!


জীবন কোনো কাব্য নাকি
জীবন বোধের-গল্প?
সেকি অসীম ভাবনা বেলুন!
শেষ না হওয়া অল্প? 


জীবন মানে হারিয়ে যাওয়া
ক্ষণগুলো
চলার পথে বন্ধু পরান
মনগুলো।

বেশতো সবাই জীবন দ্যাখে
হাসিখুশি প্রাণ,
কেউ কি দ্যাখে উল্টোপিঠে
সুখে থাকার ভাণ!

যাত্রা যখন শুদ্ধতার
পাবেই কিছু রূদ্ধদ্বার
জীবন নামের খেয়াপথে
এটাই নিয়ম যুদ্ধটার। 

মিছে মায়ার মানব জীবন
এইতো রঙিন, এই সে নাই,
রয় না সে যে আপন ঘরে
না বলে চকিত হারায়।

বেগ পেয়েছে জীবন অনেক
আবেগ মূল্যহারা
স্বার্থ-টানে সবাই ছুটে
সবেগ পাগলপারা ।

'অনিয়ম' বেশ ছন্দে থাকে
'নিয়ম' বাঁধার পাহাড়ে,
কুটিলতার সুখের জীবন
সরল কাঁদে আহারে!


জীবন কোনো চাঁদ তারা নয়
জীবন সাতান্ন ধারা নয়
জীবন দুমুঠো ভাত,
জীবন প্রহর পথেই কাঁদে
জীবন সেথায় যে ঘর বাঁধে
জীবন কঠোর দু'ঘাত!



 

Saturday, May 25, 2019

কাভার লেটারঃ কীভাবে লিখবেন একটি সফল প্রোপোজাল?

কাভার লেটার বা প্রোপোজাল নিয়ে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। জবে এপ্লাইয়ের ক্ষেত্রে একটি প্রোপোজালকে "উইনিং প্রোপোজাল" করতে পারাটাই আমাদের লক্ষ্য। সেটা করা সহজ নয়; কিন্তু অসম্ভবও নয়। পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বসম্পন্ন একটি কাভার আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিসকে হাতের কাছে এনে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। 

 চলুন শুরু করা যাকঃ

কাভার লেটার কী? কীভাবে লিখবেন কাভার লেটার?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কাভার লেটার (Cover Letter) হলো কোনো জবের জন্য আবেদনপত্র। সাধারণভাবে, আমরা তাই বলতে পারি। এটাকে প্রোপোজালও বলা হয়। কিন্তু সত্যিকার অর্থে এটি এর চেয়ে বেশিকিছু। কাভার লেটার হলো- আপনার প্রথম এবং সম্ভবত একমাত্র উপায় যা দিয়ে আপনি আপনার পটেনশিয়াল ক্লায়েন্টের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেন। অন্য অর্থে,মন জয় করে নিতে পারেন তার।

আপনার কাভার লেটারে কী ওঠে আসে জানেন?
ওঠে আসে আপনারঃ
# অভিজ্ঞতা
# ব্যক্তিত্ব
# আগ্রহ



কীভাবে লিখবেন আপনার কাঙ্খিত জবের জন্য সুন্দর কাভার লেটার?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
(০) পড়ুন > আবার পড়ুনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনার কাভার লেটার শুরু করার আগে জব পোস্টটি পড়ুন। প্রথম থেকে শেষ- সবকিছু। আবার পড়ুন। প্রয়োজন হলে আবার। নোট করুন মেইন পয়েন্টগুলো।

(১) শুরুটা হবে আন্তরিকভাবে প্রফেশনালঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মনে রাখবেন, যিনি প্রথম আপনার কাভার লেটার পড়ছেন, তাঁকে আকৃষ্ট করতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। সম্বোধন করুন আন্তরিকভাবে এবং পেশাদারিত্বের সাথে। নাম জানা থাকলেঃ
Dear Mr. Christopher
Dear Dena
এভাবে শুরু করতে পারেন। নাম জানা না থাকলে Dear Hiring Manager বা Hi বলেও শুরু করতে পারেন। ক্লায়েন্টের সময় বুঝে গ্রিটিংস করুন। (Good Morning/Afternoon/Evening).

[ক্লায়েন্টের নাম জানার টিপসঃ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জবপোস্টের সাথে নাম দেয়া থাকে না। সেক্ষেত্রে আপনি ক্লায়েটের প্রোফাইলে প্রাপ্ত ফিডব্যাক থেকে অনেক সময় পেয়ে যেতে পারেন তা। এই বিষয়টি ক্লায়েন্টকে আকৃষ্ট  করে। ক্লায়েণ্ট উৎসাহী হয়ে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেন।]


(২) সংক্ষিপ্ত করুন আর মূল পয়েন্টে থাকুনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনার জীবন বৃত্তান্ত জানতে কিন্তু কোনো ক্লায়েন্টই আগ্রহী নন। এতো সময়ও নেই কারো। আগের নোট করা মেইন পয়েন্টগুওলো দেখে আপনি ক্লায়েন্টকে বুঝাতে চেষ্টা করুন- আপনার প্রয়োজনীয় স্কিলস আর অভিজ্ঞতা আছে। এটাই মূলকথা।

(৩) স্কিল হাইলাইটিংঃ
~~~~~~~~~~~~~~
বেশির ভাগ জবপোস্টেই কিছু বিশেষ দক্ষতা চায় কিংবা কিছু স্কিল উল্লেখ করে দেয় যা অবশ্যই থাকতে হবে। আপনি আপনার কাভার লেটারে বিশেষভাবে তা মেনশন করে দিবেন। এটি আপনার প্রতি ক্লায়েটের আস্থা বাড়াবে।

(৪) নির্দেশনার সঠিক অনুসরণঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কিছু ক্লায়েন্ট জবপোস্টে স্পেসিফিক কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। যেমনঃ তিনটি জোড়া সংখ্যা দিয়ে শুরু অথবা নির্দিষ্ট কোনো শব্দ বা বাক্য উল্লেখ করে দেন যা কাভার লেটারের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় বসিয়ে দিতে হবে। এগুলো করা হয় আপনি পুরো জবপোস্ট মনযোগ দিয়ে পড়েছেন তা নিশ্চিত করতে এবং কাভার লেটার কপি পেস্ট থেকে বিরত রাখতে।

(৫) স্যাম্পল উপস্থাপনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনার সফল কাজের স্যাম্পল দিতে পারেন কাভার লেটারের সাথে। এটা ক্লায়েন্টের আস্থা বড়াবে।
 

(৬) নিজেকে সতর্কভাবে উপস্থাপনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শেষের দিকে, আপনি উল্লেখ করতে পারেন- সপ্তাহে কতো ঘন্টা আপনি ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করতে পারবেন। রাতে কাজ করতে কোনো অসুবিধা আছে কিনা। আমন্ত্রণ জানাতে পারেন আরো কিছু জানার থাকলে আপনি প্রস্তুত আছেন তা জানাতে।

বললেন না যে আপনাকে হায়ার করা উচিৎ। বরং এই বিষয়গুলো উল্লেখ করতে  পারেনঃ

  • আপনি কত দিনের/ বছরের অভিজ্ঞ
  • আপনার ভালো ফিডব্যাক
  • কতগুলো প্রজেক্ট সফল্ভাবে সম্পন্ন করেছেন
  • সংশ্লিষ্ট কোনো টেস্ট দিয়ে থাকলে তা । 

(৭) পড়ুন, এডিট করুন আর আরেকবার ভাবুনঃ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কাভার লেটার লেখা শেষ! সেন্ড বাটন প্রেস করার জন্য পাগল হয়ে যাবেন না। প্রথম থেকে পড়ুন। টুকটাক কিছু ভুল পেয়ে যাবেন। ঠিক করুন। কিছু বিষয় সাজিয়ে লেখতে ইচ্ছে করবে। করুন। তারপর আবার প্রথম থেকে শেষ অবধি পড়ুন। নাউ সেন্ড!!


কাভার লেটারে কি টেমপ্লেট ব্যবহার করা যাবে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
কাভার লেটারে টেমপ্লেট ব্যবহার করা যাবে কি না এ নিয়ে মতভেদ আছে। কিন্তু নিজের তৈরি করা টেমপ্লেট ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রেই ভালো রেজাল্ট আনতে  এবং সময় বাঁচিয়ে সঠিক সময়ে আমাদের প্রোপোজালটি পাঠাতে  সহায়ক। লক্ষ্য করুনঃ এখানে কপি পেস্টের কথা বলা হয়নি কোনোভাবেই।

আপনার নিজস্ব স্কিলের ওপর বানানো টেমপ্লেটটি প্রতিবার জবপোস্টের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপডেট করতে হবে।



*************
কিছু সংক্ষিপ্ত টিপসঃ
==============
** আপনার কাভারলেটারের প্রথম দুলাইনে ফোকাস পয়েন্টগুলো রাখার চেষ্টা করুন।
**ক্লায়েন্ট মেটা ডেসক্রিপশন আকারে প্রথম দুলাইন (১৬০ ক্যারেক্টার) দেখতে পান এবং তাতে মনে ধরলে ক্লিক করে ডিটেইলস পড়েন।
***জেনেরিক কথাবার্তা না লিখে রিলেভেন্ট কথা উল্লেখ করুন।
**জব সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন যা জবপোস্টে উল্লেখ করা নাই, তা করুন।
**পরে এপ্লাই করছেন বলে হতাশ হবার কারন নেই। ক্লায়েন্ট প্রপোজাল্গুলো লাস্ট ইন ফার্স্ট আউট (LIFO) আকারে দেখতে পায়।
***কপি পেস্ট?? না, করবেন না।
~
হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং।
~

Sunday, April 28, 2019

মাকে লিখা চিঠি


মা,
জানার উপায় নেই, তুমি কেমন আছো!  তবে আমি জানি, তুমি ভালোই থাকবে। তোমার মতো মানুষকে কেউ কষ্টে রাখতে পারবে- তা আমি মানি না।

শুধু তোমাকে ছুঁয়ে দেখার সাধটুকুই আর পূরণ হবার নয়, মা!

ডিসেম্বরের এক শীতের দুপুর ছিলো সেটা।
"Mother serious, come at once."
হ্যাঁ। ঠিক এ কথাটাই লেখা ছিলো টেলিগ্রামের মেসেজে। লাঞ্চ করে বেরিয়ে লেটার র‍্যাকে টেলিগ্রামটি পাই। তখন ঊনিশ-বিশের তরুণ। সদ্য চাকরিতে জয়েন করেছি। পোস্টিং ছিলো চট্টগ্রামে। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রাতের তূর্ণা নিশীথা ট্রেনে বাড়ি পৌঁছাতে পরদিন সকাল ৯-১০টা ।
ততক্ষণে তুমি নেই। তোমার নিথর দেহটিই ছিলো শুধু। বাড়ি ভরা মানুষ। কিন্তু আমার অন্তর বিরান।

আমার যে ভাইটি আজ আমার থেকে বড়ো- সে তখন শিশু। আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে সে। আমি কাঁদতেও পারি না। বাড়ির সামনে নোলকজবা গাছটির পাশে সবাই মিলে তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে দেয়।

মাগো, যখন তুমি ছিলে, তখন মোবাইল ছিলো না। টেলিফোন  ছিলো দুস্প্রাপ্য। আমাদের মতো গ্রামে টেলিফোনের কথা ভাবা যেতো না। কিন্তু একটা অন্যরকম নেটওয়ার্ক ছিলো তোমার মন ঘিরে। বাইরে থেকে যতবার বাড়ি গেছি- তোমাকে পেয়েছি বাড়ির সামনে- আমার অপেক্ষায়। তুমি বলতে- "আমি জানতাম বাবা, আজ তুই আসবি।" মাগো তুমি সত্যিই জানতে। কোনো সন্দেহ নেই এতে। মায়ের মনের চেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পৃথিবীতে নেই।  আর সৃষ্টিও সম্ভব নয়।

মা, তোমাকে নিয়ে অনেক স্মৃতিরা প্রায়ই ভিড় করে আমার মনে। ছোট একটা সুটকেইস ছিলো তোমার। ওটাতে তুমি তোমার যৎসামান্য প্রিয় পোশাক তোলে রাখতে। একটা ছোট নোটবুকও ছিলো ওখানে। মাঝেমধ্যে তুমি যখন সেই সুটকেইসটা খুলতে, একটা অদ্ভূত সুন্দর গন্ধ টের পেতাম। সেই স্মৃতি এখনো সতেজ । সেই সুন্দর গন্ধটাও। আর নোটবুকটা নাকি আমাদের দাদা তোমাকে দিয়েছিলো। তুমি বলেছিলে। আচ্ছা, তুমি ডায়েরি লিখতে, মা? 
 
আমাদের গাঁয়ে তুমি ছিলে তখনকার গুণী ও শিক্ষিত নারী। পাড়ার মহিলারা বিকেলে তোমার কাছে আসতো। হাদিস কিতাব থেকে তাদের তুমি পড়ে শোনাতে।

আমার বড় দুবোনের জন্মের পর তুমি সেই সময়ে হয়তো আত্মীয়স্বজনের অনেক কথাই শুনেছো। ছেলে না হবার কারণে। তোমার কাছে শুনেছি, আল্লাহর নিকট অনেক কান্নাকাটি ও দোয়ার পর আমার জন্ম। তাও আমার বড়বোনের জন্মের প্রায় ৮ বছর পর। তাই আমার আমার নাম রেখেছিলে- পরান।

এসব কথা আমি কী করে ভুলি, বলো তুমি, মা?

তোমার চলে যাবার পঞ্চান্ন দিনের মাথায় আমাদের বাড়িতে একজন নতুন মা আসে। তোমার মৃত্যুর দিন আমি কাঁদতে পারিনি। কিন্তু ওইদিন অনেক কেঁদেছিলাম।

সবার অজান্তে মনে মনে এমন চিঠি তোমাকে প্রায়ই লিখে থাকি আমি। কেউ জানে না। আচ্ছা, তুমি কি জানো, মা?

সবই থিতু হয়ে আসে একসময়। পরম সুখবোধ। চরম কষ্ট। দুর্দশা কিংবা ভোগান্তি। ভুলে যাওয়া আর
প্রসংগান্তর-যাপনের এমন বিলাস কেবল বুঝি মানুষেরই আছে।

কিন্তু তবুও তুমি থাকো আমার মনে। জ্বলজ্বলে স্মৃতি হয়ে। 

ভেতরটা  ডুকরে ডুকরে ওঠছে। ভালো থেকো মা।

ইতি,
তোমার পরান
২০১৯০৮২৮

Sunday, February 17, 2019

তোমার কাছে অনেক ঋণ আমার

 
তোমার কাছে অনেক ঋণ আমার
অনেক দায়ের বোঝা
রোজকার বাসভাড়া বাঁচাতে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে
ঘড়ির কাঁটায় টাইমকীপারের খাঁচায় তোমার উপস্থিতি।

বেতন কেটে দেয়ার ভয়
সুপারভাইজারের আযাচিত গালি
সুযোগ-সন্ধানী পুরুষ সহকর্মীর খুবলা-দৃষ্টি
অশ্লীল ছুঁয়ে দেয়া
তোমার শ্রমে,
তোমার ঘামে
তোমার শিল্পকর্মে
সোনা-ফলা সম্মান আজ আমার দেশের।

অথচ বিনিময়ে অচল তামা-ই থাকে তোমার ঘটে পরিশেষে
তোমার কাছে চিরঋণী আমি
হে বাংলার সোনালি পোশাক-শিল্পী।

Monday, December 3, 2018

মিলনমেলা

মা মাটি মানুষের মিলনমেলায়
হবে দেখা বন্ধুরে,
হাতে হাত রাখো পরানে পরান
নেইযে কোনো দ্বন্দ্বরে।


কবিতা হবে, হবে যে গল্প
হাসি খুশি আনন্দ,
ছন্দে দোলে হবে গান ও কৌতুক
হবে আর আর যা নন্দ।


হবে জ্ঞানের কথা, গুণীর কদর
অভিনয়ও থাকবে তায়,
লাল হলুদ নীল রঙের বাহার রবে
কেউবা আসবে নুপুর পায়।

মিলনমেলার মহামিলনকুঞ্জে
ফুটবে থোকা মানব ফুল,
আচ্ছা  সেথায় দেখা হবে তবে
ভুল করো না; কিংবা গোল।




এক মানবজীবন

আচ্ছা তুমি থাকো তোমার কক্ষপথে
আবর্তিত হও নিজস্ব মহাবিশ্বে
আহ্নিকে দিবানিশি।
আমি তোমার কাজলদিঘি চোখ দেখেদেখেই
কাটিয়ে দেবো এক মানবজীবন।

Tuesday, November 20, 2018

সুর

ভাববো না আর তোমায় আমি
ডাকবো না আর তোমায় মেয়ে,
বোঝোনি তো একটিবারও
কোন সুরে যায় এ মন গেয়ে।



Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়