Monday, May 18, 2015

মানব-পণ্য


মানুষসকল পণ্য-সম 
যাচ্ছে হয়ে পাচার!
সাগরবুকে নৌকাফাঁদে
কাঁদছে পাখি খাঁচার।

বড় ছোট নারী পুরুষ
প্রাণগুলো সব নাচার,
খাদ্য বিনে ওষুধহীনে
মিছে চেষ্টা বাঁচার।

নাটেরগুরু থাকে বহাল
খুঁটি শক্ত চাচার,
মানবতা উঠুক জেগে
হিংসা আছে যা, ছাড়!
--
সো আ প
১৮/৫/১৫




Sunday, May 17, 2015

অনুভব

ভালোবাসা সবসময়ের
বসন্ত বা শীত না,
ভাবনা তুমি, তুমি স্বপন
এটা শিবের গীত না।

ভালোবাসা জীবন যেনো
জাদুঘরের মৃৎ না,
মিছেই শুধু বাহাস করে
বাড়িয়ে যায় ফিতনা।

ভালোবাসা সবল সদা
নয় এমন- ‘এ ভিত না’
হিংসা ঘৃণায় জয়ী হওয়া
সেটা কোনো জিত না।

ভালোবাসায় বন্যহন্য
বিপরীতে হিত না?
অনুভবেই যায় যে পাওয়া
এটা কোনো মিথ না। 

Thursday, May 14, 2015

আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসঃ প্রাসঙ্গিকতা ও প্রত্যাশা

পরিবার ও পরিবার দিবসঃ  আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস আজ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৯৩ সালে গৃহীত এক প্রস্তাব অনুযায়ী ১৫ মে কে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস ঘোষণা করা হয়।  ১৯৯৪ সালকে আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষও ঘোষণা করেছিল জাতিসংঘগ এবং পরবর্তীতে ১৯৯৫ সাল থেকে সমগ্র বিশ্বে প্রতি বছর এ দিনটি আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। পারিবারিক বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ়ীকরণ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে  মূলত এ দিবস পালনের প্রয়াস নেয়া হয়। ছোটবেলায় পরিবারের সংজ্ঞা শেখা আছে সবারই। মা-বাবা,ভাই-বোন, দাদা-দাদী – সবাইকে নিয়েই গঠন হয় পরিবারের।
সমাজের মৌলিক ভিত্তি হলো  পরিবার। একটি পরিবার একটি প্রতিষ্ঠান। পরিবারেই মানুষ পায় ভবিষ্যৎ জীবনের পথ নির্দেশনা। জীবন আসলে গড়ে ওঠে এখান থেকেই। মানুষের সর্বপ্রথম বিদ্যাপীঠও বলা হয় পরিবারকে। পারষ্পারিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও দৃঢ় বন্ধনের মাধ্যমে পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ সমাজের সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে থাকে।  পরিবার তাই  মানুষের জন্য  স্বপ্নডাঙ্গা। মানুষের জীবনে পরিবারের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম।

বিশেষজ্ঞদের চোখে পরিবারঃ   সমাজবিজ্ঞানীগণ বিভিন্নভাবে পরিবার ও এর ভুমিকা বিধৃত করেছেন। ম্যালিনোস্কির মতে – “পরিবার হল একটি গোষ্ঠী বা সংগঠন আর বিবাহ হল সন্তান উৎপাদন ও পালনের একটি চুক্তি মাত্র”। সামনার ও কেলারের মতে- ‘পরিবার হল ক্ষুদ্র সামাজিক সংগঠন, যা কমপক্ষে দু’ পুরুষকাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে”- এ সংজ্ঞার প্রেক্ষিতে বোঝা যায়, বিবাহপ্রথার আগেও সমাজে পরিবারের সৃষ্টি হয়েছিল- কারণ এ সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার আগে থেকেই মানুষ দলবদ্ধ জীবনযাত্রা করত যা পারিবারিক জীবনযাপনের প্রমাণ বহন করে। 
তবে সমাজ ভেদে, সংস্কৃতিভেদে পরিবারের গঠন, কাঠামো, কার্যক্রম ও সার্বিক ভূমিকা ভিন্ন হয়ে থাকে। সময়ের সাথে, সভ্যতার বিকাশের সাথে আর টেকনোলজির উন্নতির সাথে সাথে সমাজে ও রাষ্ট্রে পরিবাবের ভূমিকা যেমণ পরিবর্তিত হচ্ছে; সাথেসাথে পারিবারিক কাঠামো আর মূল্যবোধেও আসছে ভিন্নতা।

যৌথ পরিবার ভাঙ্গার কারণঃ  অনেক কারণেই যৌথ পরিবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশেও ক্রমেই কমে কমে বিলুপ্তির পথে এখন। অর্থনৈতিক কারণ এদের মধ্যে অন্যতম। সমাজবিজ্ঞানী ফলসমের মতে  যৌথ পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবার বৃদ্ধির কারণ প্রধানত তিনটিঃ
  • অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নতি; 
  • স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই প্রয়োজন ও চাহিদা সম্পর্কে সচেতনতা;
  •  অলাভজনক শিশুশ্রম এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার;
  •  ব্যক্তিত্বের সংঘাত এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদের উন্মেষ। 
পরিবারের গুরুত্বঃ  আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানুষের জীবনে পরিবারের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম।  পরিবারের অনেক মৌলিক কাজ রয়েছে । 
যেমণঃ
  • জৈবিক;
  • মনস্তাত্ত্বিক;
  • অর্থনৈতিক,;
  •  শিক্ষাদান;
  • শিশুর সামাজিকীকরণ;
  • সংস্কৃতির সংরক্ষণ;
  • মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণ;
  •  সমমর্যাদার নিশ্চয়তা এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমঅধিকার
  • সামাজিক অগ্রগতি সাধন ও জীবন মান উন্নয়ন।
আজকের শিশু ভবিষ্যতের আগামীর দক্ষ নাগরিক। এই শিশুকে উপযোগী  করে গড়ে তোলে পরিবার । শিশুর মনোজগত প্রস্তুত হয় পরিবারে। পরিবারের ধরন, প্রথা-রীতিনীতি এ সবের ওপর ভিত্তি করে শিশুর জীবন-আচরণ গড়ে ওঠে। তাই চারিত্রিক সদ্ভাব গড়ে তোলা, সাংসারিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মিথ্যে না বলা, গুরুজনদের শ্রদ্ধা করা, নির্দিষ্ট সময়ে ঘরে ফেরা, নিজের কাজ নিজে সম্পন্ন করা, মিথ্যেকে ঘৃণা করা এবং মানবিক মূল্যবোধগুলোর চর্চার মাধ্যমে অন্তরকে বিকশিত করা এবং সর্বোপরি সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতৃত্ব দেয়ার মতো গুণাবলী আসলে পরিবারেই গ্রথিত হয়।

 বাস্তবতাঃ
পরিবার - আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেমন? এটা অস্বীকার করার জো নেই যে, আমাদের দেশেও পরিবারের কাঠামো আগের মতো নেই। সময়, জীবন, জীবিকা, মানসিকতা ও মূল্যবোধের দ্বান্দ্বিক কারণে আমাদের পরিবারগুলো ভেঙ্গে একক পরিবারে রূপ নিচ্ছে। মা-বাবা, ভাই বোন, দাদা দাদি - সবাই মিলে যে সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ ছিলো তা হারিয়ে যাচ্ছে ক্রমশঃ। ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা, স্বার্থের দোলাচলে আমরা অনেকেই ভুলে যাই- পরিবারের আপনজনদের কথা। এমনকি বাবা-মায়ের খোঁজও নেয়া হয় না। আমাদের সমাজেও তাই দেখা যায় বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা যাচ্ছে বেড়ে।
এমনকি ছোট পরিবারেও সহনশীলতা আর পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ না থাকায় অশান্তি বিরাজ করতে দেখা যায়। এর প্রভাব সরাসরি সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ওপর পড়ছে; পাশাপাশি সেই পরিবারের শিশুরা বেড়ে উঠছে বিরূপ পরিবেশে। সুস্থ মানসিক ও মানবিক বোধ গঠন হচ্ছে বাধাগ্রস্থ।
যৌতুককে কেন্দ্র করেও অশান্তি লেগে থাকে অনেক পরিবারে।
পারিবারিক অশান্তির কারণে ঘটছে না না ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। পরিবারে সৌহার্দের  অভাবে, সন্তানের হাতে বাবা-মায়ের খুন, বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু বা ‘বৃদ্ধ বাবা-মাকে’ অবহেলার মতো ঘটনা ঘটেই চলেছে আশঙ্কাজনকভাবে। পারিবারিক অশান্তির জন্য মানুষের মানসিক ও মানবিক বোধের অবক্ষয় হচ্ছে।


সুন্দর পরিবারের জন্য করণীয়ঃ

পারিবারিক সুখ-শান্তি যাতে বিনষ্ট হতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে সবাইকে।  ঘর বা পরিবার এক পবিত্র আশ্রয়। সব পাখি দিন শেষে যেমন তার নীড়ে ফিরে আসে  মানুষও সারাদিনের কর্মব্যস্ততার শেষে ঘরে ফিরে  আসে। তবে ঘরে অবশ্যই শান্তি থাকতে হবে। হতে হবে সুইট-হোম। পরিবারের মধ্যে ভালোবাসায় ভরপুর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও  সুন্দর পরিবেশ থাকতে হবে। আগে নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে হবে, তারপর দেশকে ভালোবাসতে হবে। কারণ নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে না পারলে নিজের দেশকে ভালোবাসা সম্ভব হবে না। পরিবার শক্তিশালী হলে সমাজ এগিয়ে যাবে আরে দেশ হবে শক্তিশালী।

পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্ববহ। দুজনের ভূমিকা ও অধিকার হতে  হবে সমান্ ও সম্প্রীতির। অন্যসব সদস্যেরও থাকতে হবে সমান অধিকার।  মর্যাদা হবে যথাযোগ্য। সবার আবেগের মূল্যায়ন করতে হবে  যৌক্তিকভাবে সময়ের নিরিখে।  পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ পরিবারের কাঠামোকে করতে পারে মজবুত।
শত ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের  করে  সবার খোঁজ নেয়া উচিত। পরিবারের সবার সাথে কথা বলা প্রয়োজন। মিথস্ক্রিয়া সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক। মাঝেমধ্যে সবাইকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়া- ফ্যামিলি ডে আউট - অনেক ফলদায়ক হতে পারে।
পরিবারের জেষ্ঠ্য সদস্যদের সম্মানের চোখে দেখা একান্ত প্রয়োজন। এতোটুকু কথা বা খোঁজ নেয়া অনেক সুন্দর মানবিক প্রভাব ফেলতে পারে তাঁদের মনে।
আত্মীয়-স্বজনকে সমান চোখে দেখা জরুরি। নিজের ভাই-বোন, মা-বাবাকে  অনেকে প্রাধিকার দেয়। পক্ষান্তরে, স্বামী বা স্ত্রীর আত্মীয়কে ভিন্ন চোখে দেখা অনেক পরিবারে অশান্তি ডেকে আনে। 

শেষকথাঃ 
এটা ঠিক যে, শুধু দিবস পালন করে পরিবারকে সুখী বা শান্তিময় করা সম্ভব নয়।  তদুপরি, আমাদের দেশে পরিবার দিবসের পরিচিতিও নেই সেভাবে। তবে একটি সুন্দর পরিবার, সুখী পরিবারের জন্য এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে। যার যার স্থান থেকে। কারণ সমাজ বিনির্মাণে আর রাষ্ট্র পরিচালনায় যে সুন্দর মনের যোগ্য ও  দক্ষ মানুষ দরকার - সে মানুষ গড়ে ওঠে পরিবারে। পরিবার সে অর্থে একটি রাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম ইউনিট।
সেই পরিবারের  ভালবাসা ও মমতার বন্ধনে বেঁচে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সাথে  পরিবর্তন হবে অনেক কিছুর; পরিবারেরও।  সেটিই স্বাভাবিক । এরই মাঝে, সবার সচেতন কন্ট্রিবিউশিনের মধ্যদিয়ে পরিবার হয়ে ওঠতে পারে সুখের আধার। কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়। শান্তির নীড়। 
==
সো আ প
১৪ মে ২০১৫

Wednesday, May 13, 2015

পদ্যাণুঃ মাটির কাঁপন

পদতলে মাটি কাঁপে
মাথার ওপর ছাদ,
বেখেয়ালে সময় যে যায়
সামনে অমারাত।


Monday, May 11, 2015

পরানের কথা ০ ২৭

আপনজনও রয় না আপন
স্বার্থে যখন টান পড়ে
সুসময়ে সে-ই আবার
দেয় যে বড় জান ধরে।
-
সো আ প
১১/৫/১৫ 

Sunday, May 10, 2015

লতিফাঃ মাকে নিয়ে


ফ্রেমে বন্দি একটি দিনে মাকে ভালোবাসা
তা নয় জেনো, মা যে আমার নিত্য কাঁদাহাসা
মা যে অনেক দূরে
সুদূর অচিনপুরে

মন-গহীনে মা তো থাকেই, নয়তো মোটে ভাসা
অনুক্ষণই মাকেই যে পাই, মা-ই সকল আশা।

Saturday, May 9, 2015

মা দিবসঃ ইতিহাস- ইতিবৃত্ত

মা দিবস ( Mother's Day) হল একটি সম্মান প্রদর্শন জনক অনুষ্ঠান যা মায়ের সন্মানে এবং মাতৃত্ব, মাতৃক ঋণপত্র, এবং সমাজে মায়েদের প্রভাবের জন্য উদযাপন করা হয়। এটি বিশ্বের অনেক অঞ্চলে বিভিন্ন দিনে, সাধারণত মার্চ, এপ্রিল বা মে উদযাপন করা হয়।
বিশ্বের সর্বত্র মায়ের এবং মাতৃত্বের অনুষ্ঠান উদযাপন করতে দেখা যায়। এ গুলোর অনেকই প্রাচীন উৎসবের সামান্য প্রামাণিক সাক্ষ্য, যেমন, সিবেল গ্রিক ধর্মানুষ্ঠান, হিলারিয়ার রোমান উত্সব যা গ্রিকের সিবেল থেকে আসে, অথবা সিবেল এবং হিলারিয়া থেকে আসা খ্রিস্টান মাদারিং সানডে অনুষ্ঠান উদযাপন। কিন্তু, আধুনিক ছুটির দিন হল একটি আমেরিকান উদ্ভাবন যা সরাসরি সেই সব অনুষ্ঠান থেকে আসেনি। তা সত্ত্বেও, কিছু দেশসমূহে মা দিবস সেই সব পুরোনো ঐতিহ্যের সমার্থক হয়ে গেছে।
ছুটির দিনটি ক্রমে এত বেশি বাণিজ্যিক হয়ে পড়ে যে এটির স্রষ্টা আনা জার্ভিস এটিকে একটি "হলমার্ক হলিডে" অর্থাৎ যে দিনটির বাণিজ্যিক প্রয়োজনীয়তা অভিভূত করার মতো, সেই রকম একটি দিন হিসাবে বিবেচিত করেন। তিনি শেষে নিজেরই প্রবর্তিত ছুটির দিনটির নিজেই বিরোধিতা
ইতিহাসঃ
একটি গোষ্ঠীর মতে এই দিনটির সূত্রপাত প্রাচীন গ্রীসের মাতৃ আরাধনার প্রথা থেকে যেখানে গ্রিক দেবতাদের মধ্যে এক বিশিষ্ট দেবী সিবেল-এর উদ্দেশ্যে পালন করা হত একটি উৎসব। এশিয়া মাইনরে মহাবিষ্ণুব -এর সময়ে এবং তারপর রোমে আইডিস অফ মার্চ (১৫ই মার্চ) থেকে ১৮ই মার্চের মধ্যে এই উৎসবটি পালিত হত।
প্রাচীন রোমানদের ম্যাত্রোনালিয়া নামে দেবী জুনোর প্রতি উৎসর্গিত আরো একটি ছুটির দিন ছিল, যদিও সেদিন মায়েদের উপহার দেওয়া হত।
মাদারিং সানডের মতো ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যে দীর্ঘকাল ধরে বহু আচারানুষ্ঠান ছিল যেখানে মায়েদের এবং মাতৃত্বকে সম্মান জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট রবিবারকে আলাদা করে রাখা হত। মাদারিং সানডের অনুষ্ঠান খ্রিস্টানদের অ্যাংগ্লিকানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পঞ্জিকার অঙ্গ। ক্যাথলিক পঞ্জিকা অনুযায়ী এটিকে বলা হয় লেতারে সানডে যা লেন্টের সময়ে চতুর্থ রবিবারে পালন করা হয় ভার্জিন মেরি বা কুমারী মাতার ও "প্রধান গির্জার" সম্মানে। প্রথানুযায়ী দিনটিকে সূচিত করা হত প্রতিকী উপহার দেওয়া এবং কৃতজ্ঞতাস্বরূপ রান্না আর ধোয়া-পোছার মত মেয়েদের কাজগুলো বাড়ির অন্য কেউ করার মাধ্যমে।
জুলিয়া ওয়ার্ড হোই রচিত "মাদার্স ডে প্রক্লামেশন" বা "মা দিবসের ঘোষণাপত্র" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবস পালনের গোড়ার দিকের প্রচেষ্টাগুলির মধ্যে অন্যতম। আমেরিকান গৃহযুদ্ধ ও ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধের নৃশংসতার বিরুদ্ধে ১৮৭০ সালে রচিত হোই-এর মা দিবসের ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি শান্তিকামী প্রতিক্রিয়া। রাজনৈতিক স্তরে সমাজকে গঠন করার ক্ষেত্রে নারীর একটি দায়িত্ব আছে, হোই-এর এই নারীবাদী বিশ্বাস ঘোষণাপত্রটির মধ্যে নিহিত ছিল।

 

 

 

 

ঘোষণাঃ 

১৯১২ সালে আনা জার্ভিস স্থাপন করেন মাদার'স ডে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোশিয়েশন্ (আন্তর্জাতিক মা দিবস সমিতি) এবং "মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার" আর "মা দিবস" এইসব শব্দবন্ধের বহুল প্রচার করেন।
মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে "মা দিবস" হিসাবে উদযাপনের ঘোষণা দেয়া হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে। আর তখন থেকেই এই দিনে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে মা দিবস। বিশ্বের প্রায় ৪৬টি দেশে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয় হয়। কথিত আছে, ব্রিটেনেই প্রথম শুরু হয় মা দিবস পালনের রেওয়াজ, কেননা সেখানে প্রতিবছর মে মাসের চতুর্থ রোববারকে মাদারিং সানডে হিসাবে পালন করা হতো। তবে সতের শতকে মা দিবস উদযাপনের সূত্রপাত ঘটান মার্কিন সমাজকর্মী জুলিয়া ওয়ার্টস। মায়ের সঙ্গে সময় দেয়া আর মায়ের জন্য উপহার কেনা ছিল তাঁর দিনটির কর্মসূচিতে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে প্রথম মা দিবস পালন করা হয় ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ২ জুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উহলসন সর্বপ্রথম মা দিবসকে সরকারি ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করেন। মা দিবসের উপহার সাদা কার্নেশন ফুল খুব জনপ্রিয়। আর বাণিজ্যিকভাবে, "মা দিবস" বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কার্ড আদান-প্রদানকারী দিবস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে "মা দিবস"-এ অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি ফোন করা হয়।

আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও আচারানুষ্ঠান

বেশিরভাগ দেশেই মা দিবস হল একটি সাম্প্রতিক রীতি, যা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে ছুটির দিনটির রীতি অনুসারে চলে এসেছে। যখন অনান্য বহু দেশ ও সংস্কৃতি এটিকে গ্রহণ করে তখন এই দিনটিকে একটি অন্য মাত্রা দেওয়া হয়, বিভিন্ন পর্বের (ধর্মীয়, ঐতিহাসিক বা পৌরানিক) সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়, এবং একটি একদমই অন্য দিন বা বিভিন্ন দিনে এটিকে পালন করা হয়।
কিছু কিছু দেশে বহু আগে থেকেই মাতৃত্বের প্রতি উত্সর্গিত কয়েকটি অনুষ্ঠান ছিল এবং সেইসব অনুষ্ঠানে মার্কিন মা দিবসের মত মায়েদের কার্নেশন (গোলাপী ফুল) এবং আরো অন্য উপহার দেওয়া হত।
অনুষ্ঠান পালনের রীতিটি অনেক রকম। অনেক দেশে মা দিবস পালন না করলে এটিকে প্রায় একটি অপরাধ গণ্য করা হয়। অনেক দেশে আবার মা দিবস একটি স্বল্প-পরিচিত উত্সব যা মূলত প্রবাসী মানুষেরা পালন করে থাকে বা বিদেশী সংস্কৃতি হিসাবে মিডিয়া সম্প্রচার করে থাকে।

বিভিন্ন ধর্মে মাঃ

ইসলাম ধর্মে ‍মা-

আল কুরআনে বলা হয়েছে আমি মানুষকে তাদের পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না। আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে।  একটি হাদীসে ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, মাতার পদতলে সন্তানের বেহেশত (স্বর্গ)।

হিন্দু ধর্মে ‍মা-

সনাতন ধর্মে উল্লেখ আছে স্ববংশবৃদ্ধিকামঃ পুত্রমেকমাসাদ্য..”। আবার সন্তান লাভের পর নারী তাঁর রমণীমূর্তি পরিত্যাগ করে মহীয়সী মাতৃরূপে সংসারের অধ্যক্ষতা করবেন। তাই মনু সন্তান প্রসবিনী মাকে গৃহলক্ষ্মী সম্মানে অভিহিত করেছেন। তিনি মাতৃ গৌরবের কথা বিশ্ববাসীকে জানিয়েছেন এভাবে- উপাধ্যায়ান্ দশাচার্য্য আচায্যাণাং শতং পিতা। সহস্রন্তু পিতৃন্মাতা গৌরবেণাতিরিচ্যতে” [ (মনু,২/১৪৫) অর্থাৎ “দশজন উপাধ্যায় (ব্রাহ্মণ) অপেক্ষা একজন আচার্য্যরে গৌরব অধিক, একশত আচার্য্যরে গৌরব অপেক্ষা পিতার গৌরব অধিকতর; সর্বোপরি, সহস্য পিতা অপেক্ষা মাতা সম্মানার্হ।”
ক্যাথলিক ধর্মে, দিনটি বিশেষভাবে ভার্জিন মেরি বা কুমারী মাতার পূজায় সমর্পিত।

বিভিন্ন দেশে মা দিবসঃ

আফ্রিকীয় দেশসমূহঃ

বহু আফ্রিকীয় দেশ ব্রিটিশ প্রথানুযায়ী মা দিবস পালন করে, যদিও আফ্রিকার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মধ্যে মায়েদের সম্মানে এমন অনেক অনুষ্ঠান এবং উত্সব আছে যা আফ্রিকায় ইউরোপীয় উপনিবেশ গড়ে ওঠার বহু যুগ আগে থেকেই চলে আসছে।

বলিভিয়াঃ

বলিভিয়ায় ২৭শে মে মা দিবস পালিত হয়। অধুনা কোচাবাম্বা শহরে ১৮১২ সালের ২৭শে মে সংঘটিত করনিলার যুদ্ধের স্মৃতিস্মারক হিসবে এই দিনটিকে মা দিবসরূপে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয় ৮ই নভেম্বর, ১৯২৭ সালে। এই যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াইরত অনেক মহিলাকে স্পেনীয় সৈন্যবাহিনী নৃশংসভাবে হত্যা করে।

চীনঃ

চীনের মা দিবস ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, কার্নেশন সেখানে জনপ্রিয়তম উপহার এবং সবথেকে বেশি বিক্রিত ফুল। ১৯৯৭ সালে দরিদ্র মায়েদের সাহায্য করার জন্য, বিশেষ করে পশ্চিম চীনের গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র মায়েদের কথা মানুষকে মনে করানোর জন্য, এই দিনটিকে চালু করা হয়। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র, পিপিল'স ডেইলি'র একটি নিবন্ধে ব্যাপারটির বিষয়ে লেখা হয় যে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হলেও, চীনের মানুষ বিনা দ্বিধায় এই দিনটিকে গ্রহণ করেছে কারণ এটি একদমই এই দেশের রীতি মাফিক - মানে গুরুজনদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা"।

গ্রিসঃ

গ্রীসে, যিশু কে মন্দিরে পেশ করার ইস্টার্ন অর্থডক্স ফিস্ট ডের সঙ্গেই পালন করা হয় মা দিবস। যেহেতু থিওটকস ( ঈশ্বরের মাতা) যিনি এই ফিস্টের (ভোজ) বিশিষ্ট চরিত্র এবং তিনিই যিশু কে জেরুসালেমের মন্দিরে এনেছিলেন, তাই জন্য এই পরবটি মায়েদের সঙ্গে সংযুক্ত।

ইরানঃ

২০ জুমাদা আল-থানি, মহম্মদ (সঃ) -এর কন্যা ফাতিমা(রাঃ)র জন্মবার্ষিকীর দিন ইরানে পালন করা হয় মা দিবস।

জাপানঃ

প্রাথমিক ভাবে শোয়া যুগ -এ রানী কজুন -এর (রাজা আকিহিতো'র মা) জন্মদিনটিকেই মা দিবস হিসাবে পালন করা হত জাপান। এখন এটি একটি জনপ্রিয় দিন। বিশেষত কার্নেশন আর গোলাপ উপহার হিসবে দেওয়া হয় এই দিন।

নেপালঃ

বৈশাখ(এপ্রিল) মাসে হয় "মাতা তীর্থে অনুসি " বা "একপক্ষব্যাপী মাতৃ তীর্থ যাত্রা"। এই উত্সবটি পালিত হয় অমাবস্যার সময় যার জন্য এটির নাম "মাতা তীর্থে অনুসি "। "মাতা" মানে মা, "তীর্থ" মানে তীর্থযাত্রা। উত্সবটিতে মৃত মায়েদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং জীবিত মায়েদের উপহার দেওয়া ও সম্মান জানানো হয়। কাঠমান্ডু উপত্যকার পূর্বদিকে অবস্থিত মাতা তীর্থে যাওয়া এই উত্সবের একটি অঙ্গ।
এই তীর্থযাত্রাটি ঘিরে একটি কিংবদন্তি আছে। প্রাচীন কালে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মা দেবকী ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। তিনি বহু জায়গা ঘুরে বাড়ি ফিরতে ভীষণ দেরী করেন.ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মায়ের অবর্তমানে খুবিই দুঃখিত হয়ে ওঠেন। উনি তখন মা কে খুঁজতে বেরিয়ে অনেক জায়গায় খোঁজেন কিন্তু খুঁজে পান না। শেষে যখন তিনি "মাতা তীর্থ কুন্ড"- তে পৌঁছন তখন তিনি মা কে দেখতে পান পুকুরে স্নানরত। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আনন্দিত হয়ে ওঠেন মা কে খুঁজে পেয়ে এবং মা কে তিনি মায়ের অবর্তমানকালীন সব দুঃখের কথা বলেন। মা দেবকী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে বলেন "আহা! তাহলে এই স্থানটিকে আজ থেকে প্রত্যেক সন্তানের তাদের ছেড়ে আসা মায়েদের সঙ্গে মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠুক"। সেই থেকে এই জায়গাটি মৃত মায়ের সঙ্গে সাক্ষাত প্রাপ্তির এক দ্রষ্টব্য ও পবিত্র তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। এও কিংবদন্তি আছে যে এক পুন্যার্থী পুকুরের জলে নিজের মায়ের প্রতিকৃতি দেখে প্রায় জলে পরে মারাই যাছিলেন। এখনও সেখনে পুকুর ধারটিতে লোহার বেঁড়া দেওয়া আছে। পুজার্চনার পরে পুন্যার্থীরা সেখনে নৃত্য, গানের মাধ্যমে নিজেদের মনোরঞ্জন করে। কিংবদন্তিগুলোর সত্যতা যাচাই করে দেখার অবকাশ নেই যেহেতু এগুলো প্রাচীন পুঁথির অনুযায়ী লোকমুখে চলে আসা সব ঘটনা সব।

থাইল্যান্ডঃ

থাইল্যান্ডে মা দিবস পালিত হয় থাইল্যান্ডের রানীর জন্মদিনে।

রোমানিয়াঃ

রোমানিয়া-তে দুধরনের আলাদা ছুটির দিন আছে: মা দিবস আর মহিলা দিবস।

ইউনাইটেড কিংডম এবং আয়ারল্যান্ডঃ
ইউনাইটেড কিংডম ও আয়ারল্যান্ড-এ , ইস্টের সানডে(২৭শে মার্চ, ২০০৯)-র ঠিক তিন সপ্তাহ আগে, লেন্ট-এর চতুর্থ রবিবার মাদারিং সানডে পালিত হয়.খুব সম্ভবত ষোড়শ শতকের বছরে একবার নিজের মাদার চার্চ বা প্রধান গির্জায় যাওয়ার খ্রিস্টীয় রেওয়াজ থেকেই এর উত্পত্তি. এর মূল তাত্পর্য হল যে মায়েরা তাদের সন্তানদের সঙ্গে মিলিত হবেন.অনেক ঐতিহাসিক -এর মতে যুবতী শিক্ষানবিশ-দের এবং অন্য যুবতীদের তাদের মালিকরা কাজ থেকে অব্যহতি দিত তাদের পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য। ধর্মনিরিপেক্ষিকরণের ফলে এখন এই দিনটি মূলত মায়ের প্রতি সম্মান জানানোর দিন যদিও বহু গির্জা এটিকে এখনও সেই ঐত্তিহাসিক ভাবে দেখতেই পছন্দ করে যেখানে থাকে যিশু খ্রিস্ট -এর মা মেরি ও "মাদার চার্চ"-এর মত ঐতিহ্যবাহী রীতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
মাদারিং সানডে সর্বাগ্রে পড়তে পারে ১লা মার্চ(যে বছরগুলিতে ইস্টের পরে ২২শে মার্চ) ও তারপর পড়তে পারে ৪ঠা এপ্রিল(যখন ইস্টের ২৫শে এপ্রিল পরে)।

ভিয়েতনামঃ

ভিয়েতনামে মা দিবসকে বলা হয় লে ভূ-লান এবং চান্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী সপ্তম মাসের পঞ্চদশ (পনেরো) দিনে এটি পালিত হয়। যাদের মায়েরা জীবিত তারা ঈশ্বরকে কৃতজ্ঞতা জানায় আর যাদের মায়েরা পরলোক গমন করেছেন তারা প্রার্থনা করে মৃত মায়েদের আত্মার শান্তি কামনা করে।

 মা দিবসের বাণিজ্যিকিকরণঃ

সরকারী মা দিবস পালনের ন' বছরের মাথায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি এতটাই বাণিজ্যিক হয়ে পরে যে আনা জার্ভিস নিজেই এই তাত্পর্য পাল্টে যাওয়া দিনটির ঘোর বিরোধী হয়ে যান এবং নিজের সমস্ত সম্পত্তি ও জীবন দিনটির এইরকম অবমাননার প্রতিবাদে ব্যয় করেন।
মা দিবসের বানিজ্যিকরণ  ও দিনটিকে বানিজ্যিক স্বার্থে কাজে লাগানোর প্রতিবাদে আনা তার সময়ে বহু সমালোচনা করেন। তিনি সমালোচনা করেন হাতে লেখা চিঠি না দিয়ে কার্ড কেনার নতুন প্রথাকে যেটিকে তিনি আলসেমি হিসাবে গন্য করতেন। ১৯৪৮ সালে আনাকে গ্রেপ্তার করা হয় মা দিবসের বানিজ্যিকরণের প্রতিবাদ করা কালীন এবং অবশেষে বলেন যে তিনি "ভাবেন যে এই দিনটির সূচনা না করলেই ভালো হত কারণ এটি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনের বাইরে...
মা দিবস এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যিকভাবে সবথেকে সফলতম পরব. ন্যাশনাল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোশিয়েশনের মতে রেস্টুরেন্টে ডিনার করার অন্যতম জনপ্রিয় দিন হল মা দিবস।
--
সূত্রঃ বাংলা উইকপিডিয়া
পাদটীকাঃ এটা উইকিপিডিয়ার পেজ থেকে সংকলিত একটি পোস্ট মাত্র।







Featured Post

কষ্টযাপন

তাদের কষ্টবিলাস থাকে আমার কষ্ট বোধযাপন, আমার রঙের আকাশ দেখে ভাবে তারা উদযাপন। #অণুঅনুভব

জনপ্রিয়